অবৈধ নার্সিং ইনস্টিটিউটের অনুমোদন বাতিলের দাবি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৫১, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

অবৈধ নার্সিং ইনস্টিটিউটের অনুমোদন বাতিলের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, মে ২১, ২০২৩ ৮:২২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, মে ২১, ২০২৩ ৮:২২ অপরাহ্ণ

 

ডেস্ক নিউজ

নীতিমালা অনুসরণ না করে যেসব বেসরকারি নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সেসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দ্রুত বাতিলসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএনএ) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ। একইসঙ্গে আগামী ৩০ মের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৩১ মে সারা দেশে একযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে।

আজ রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন বিএনএর লিগ্যাল অ্যাডভাইজর হোসাইন আহমেদ শিপন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনএ সভাপতি খাঁন মো. গোলাম মোরশেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন সবুজ, বাংলাদেশ বেসিক গ্র্যাজুয়েট নার্সেস সোসাইটির সভাপতি নাসিমুল হক ইমরান, ঢাকা নার্সিং কলেজ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সভাপতি রাকিবুল হোসেন রাকিব।

হোসাইন আহমেদ শিপন বলেন, বেসরকারি নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ৮০ শতাংশ নিজস্ব হাসপাতাল নেই এবং কোনো হাসপাতালের সাথে আইনগত চুক্তিভিত্তিক পার্টনারশিপ নাই। এদের অবকাঠামো (অ্যাকাডেমিক ভবন, হোস্টেল), দক্ষ জনবল (শিক্ষক, অফিস স্টাফ), শিক্ষা উপকরণ, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের হাসপাতালসহ নার্সিং শিক্ষার প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ন্যূনতম ব্যবস্থাও নেই। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন পদ্ধতিতে গলদ ব্যাপক। বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের কিছু কর্মকর্তার ইচ্ছা অনুযায়ী পছন্দের ব্যক্তির নামে বেসরকারি নার্সিং কলেজের অনুমোদনের দিয়ে আসছে।

তিনি বলেন, ভুঁইফোঁড় প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন দিয়ে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে একটি সিন্ডিকেট। এই কাউন্সিলের অধীনে সারা দেশে ৩৭২টি বেসরকারি নার্সিং কলেজ পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে সাইক নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান আবু হাসনাত মো. ইয়াহিয়া এবং ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলামের নামেই নিবন্ধন নেওয়া রয়েছে ৫৯টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে আবু হাসনাত ৪৪টি ও জহিরের ১৫টি। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত সময়ে নিবন্ধন বাতিল করা হোক।

অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ডিপ্লোমা ইন পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সের সমমানের প্রজ্ঞাপন অনতিবিলম্বে বাতিল করে এইচএসসি পাশের পর তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সকে স্নাতক ডিগ্রিতে রূপান্তর করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট নার্সদের জন্য নার্সিং পেশায় স্পেশাল ক্যাডার সার্ভিস (সেবা ক্যাডার) অনতিবিলম্বে চালু করা এবং প্রথম শ্রেণির শূন্য পদগুলোতে নিয়োগের ব্যবস্থা। সরকারি চাকরিতে কর্মরত নার্সদের মূল বেতনের ৩০ শতাংশ ঝুঁকি ভাতা অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করা, অন্যান্য টেকনিক্যাল পেশাজীবীর ন্যায় পূর্বে প্রদানকৃত চাকরির শুরুতে অতিরিক্ত ইনক্রিমেন্ট প্রদানের সুবিধা বহাল রাখতে এবং নার্সিং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ভাতা ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করতে হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ