আমরা নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার খুব কাছাকাছি রয়েছি: দুদু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৫২, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আমরা নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার খুব কাছাকাছি রয়েছি: দুদু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২৫ ৬:৪২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২৫ ৬:৪২ অপরাহ্ণ

 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘গত ১৫ বছর বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী মামলা-হামলা, হত্যা, গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রাণ দিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। তাদের আরাধ্য স্বপ্ন একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার খুব কাছাকাছি রয়েছি আমরা।

জনগণের সত্যিকারের দল হিসেবে বিএনপিকে শহীদ জিয়া, বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের আদর্শে গড়ে তোলার সময় এসেছে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) গাইবান্ধায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র জেলা সাংগঠনিক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

দুদু বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান যে ভুলগুলো করেছিল—রক্ষী বাহিনী তৈরি, হাজার হাজার বিরোধী দলের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা, গণতন্ত্র ধ্বংস, এক দল কায়েম, চারটি বাদে সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া, দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা। স্বাধীনতার বিপক্ষে এরকম অবস্থান এর আগে কেউ করেনি; যা শেখ মুজিবুর রহমান করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এত কিছু করার পরে মূল লক্ষ্য থেকে যদি আমরা সরে যাই তাহলে সেটা হবে দুঃখজনক। সেটা হল—১৬-১৭ বছর যে সংগ্রাম স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে সংগ্রাম; যেমন অনেকেই নির্বাচনের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিল। পাকিস্তান থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য নয়।

কিন্তু আমাদের নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে নিজেই স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন যে, আমি মেজর জিয়া বলছি—স্বাধীনতার ঘোষণা করছি, ওই রিবোল্ড। এই বিদ্রোহ করা সহজ বিষয় ছিল না। কবিতা অনেক আছে কিন্তু বিদ্রোহী কবিতা একটাই লিখেছেন—কাজী নজরুল ইসলাম। বাংলাদেশে অনেক রাজনীতিবিদ আছে। অনেকের অনেক বিশেষণ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিদ্রোহী একজনই তিনি হলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’, বলেন তিনি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন। রণাঙ্গণে যুদ্ধ করেছেন, দেশ স্বাধীন করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ব্যারাকে ফিরে গিয়েছেন। সেই বীরকে প্রথম অপমাণ করেছেন শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি স্বাধীনতার ঘোষক। মুক্তিযোদ্ধা, বীর উত্তম এবং সিনিয়র ছিলেন তারপরও তাকে সেনাপ্রধান বানানো হয়নি। তার জুনিয়র শফিউল্লাহকে সেনাপ্রধান বানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, শফিউল্লাহ নিজে স্বীকার করেছিলেন জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান বানানো উচিত ছিল। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান তার করেনি। শেখ মুজিবুর রহমান যে ভুলগুলো করেছিল—রক্ষী বাহিনী তৈরি, হাজার হাজার বিরোধীদলের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা, গণতন্ত্র ধ্বংস, এক দল কায়েম, চারটি বাদে সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া, দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা। স্বাধীনতার বিপক্ষে এরকম অবস্থান এর আগে কেউ করেনি; যা শেখ মুজিবুর রহমান করেছে।

ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, শেখ হাসিনা বাহাদুরি করে বলেছিল—‘শেখ মুজিবের কন্যা পালায় না’। তারপরে কি হলো সে পালালো! এরপরে ভারতে বসে কান্না করে বলে না পালালে মেরে ফেলতো। তাকে তো মেরে ফেলত না ছিড়ে ফেলতো। দেশের মানুষের রাগ খুব এতটা পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে সহ্য করার বাহিরে।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক আনিসুজ্জামান খান বাবু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) মো. আব্দুল খালেক, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী টিটুল সহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ