আমাদের বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ: মঈন খান - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৪০, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আমাদের বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ: মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩ ৩:৩২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩ ৩:৩২ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচন হবে না। আওয়ামী লীগ নির্বাচন করে ফেলেছে। ৭ জানুয়ারি শুধু ফলাফল ঘোষণা করবে। তফসিল নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমরা সত্যের পথে আছি। জনগণের সঙ্গে আছি। আমাদের বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ।

তি‌নি ব‌লেন, ‘সরকার হয়তো পুলিশ দিয়ে, বোমা দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্ষমতায় থাকবেন (সব সরকারের উদ্দেশে)। কিন্তু আমার প্রশ্ন আগামী প্রজন্মের কাছে আপনার কোন বাংলাদেশ রেখে যাচ্ছেন? আসুন সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি ব্যাবহার নিশ্চিত করি। তা না হলে বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে।’

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি) এর উদ্যোগে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

মঈন খান বলেন, ‘এই সরকার মনে করছে তারা উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে টিকে থাকবে। কিন্তু সেটি না। স্বাধীনতার বিজয়ের প্রাক্কালে দেশের মানুষ ভেবেছিল বাংলাদেশ হবে একটি স্বাধীন দেশ। কিন্তু তার ঠিক আগ মুহূর্তে রাজাকার আলবদররা এক হয়ে দেশের মেধাস্বত্তকে হত্যা করেছে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে মেধাাশূন্য করে ফেলা। সেজন্যই মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। যা বিশ্বে বিরল ঘটনা। আমরা তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে বাস করছি।’

তিনি বলেন, ‘বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধারা চেয়েছিলেন গণতান্ত্রিক স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র মৃত। এখানে নতুনভাবে একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়েছে।’

তি‌নি বলেন, ‘আজকে আমরা কোন বাংলাদেশে আছি এখানে ভিন্নমতের কথা বলার সুযোগ নেই। আজকে বর্তমান সরকার দেশে বাকশাল কায়েম করতে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিচ্ছে। গুম খুন করছে। তবে বাংলাদেশের মানুষ অতীতে বাকশাল শাসন মানেনি। কখনো মানবে না। দেশের মানুষ চায় তারা ৫ বছরে একবার ভোট দিতে। তারা নিজেরা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে চায়। কিন্তু সেই ভোটাধিকার গেলো কোথায়? তারাই তো বলেছিলো আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দিবো! আজকে তারাই কেনো বলে আমার ভোট আমি দেব দিনের ভোট রাতে দিব!’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। তাহলে একদলীয় বাকশাল শাসন কেনো?’

মঈন খান আরো বলেন, ‘অনেকেই বলেন নতুনভাবে বাংলাদেশে কেনো স্যাংশন আসেনি। এজন্য বিএনপি নাকি হতাশ? তাহলে কি আরো স্যাংশন এলে আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিত? কেনো স্যাংশন দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে?’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নাকি জনগণের দল! তাহলে তারা আওয়ামী লীগ কেনো? নাকি উর্দু প্রেম ভুলতে পারেনি? এই প্রশ্ন তো আমি করতেই পারি!’

ড. মঈন খান বলেন, ‘আমরা দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করার জন্য শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের জনগণ এই সরকারকে প্রত্যাখান করেছে।’

বিএসপিপির সাবেক আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএসপিপির আহ্বায়ক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল হাই শিকদার, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের অধ্যাপক লুৎফর রহমান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-অ্যাব’র প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিএইউজে’র সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, কৃষিবিদ রাশিদুল হাসান হারুন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক কামরুল আহসান, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রকৌশলী মাহবুব আলম, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের জাহানারা সিদ্দিকী, অ্যামট্যাবের বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ