আ'লীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ আহত ১৫ - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:৩১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আ’লীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ আহত ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০২২ ৭:১৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০২২ ৭:১৭ অপরাহ্ণ

 

জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে কারখানার ফটকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও পোগলদিঘা ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, যমুনা সার কারখানায় পরিবহন চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা সংঘবদ্ধ হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় একপক্ষের বিরুদ্ধে গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠে।

সংঘর্ষে তিন পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। তারা হলেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক (৪০), কনস্টেবল নজরুল ইসলাম (৫৭) ও কনস্টেবল মাজহারুল ইসলাম (৩২), স্থানীয় ফজলুল হক বাবু (৩২), রোকন (৩০) রিপন (২৮), খালেদা (৬০), রাবেয়া (১৮), হাফিজুর (৩৫), বাচ্চু (৩৫), মোস্তাক (৪৫) ও মোতালেব (২৫)। গুরুতর আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক অভিযোগ করে বলেন, ‘স্থানীয় খুটামারা বিলে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসী মাছচাষ করছে। রফিকের লোকজন বিলের মাছ জোর করে ধরতে যান। এ সময় তাদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।’ সংঘর্ষে রফিকের গ্রুপ থেকে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কারণ ছাড়াই চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আমার বাণিজ্যিক কার্যালয় ও দুই কর্মীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় কার্যালয়ের ম্যানেজার শাহ আলমকে মারধর করে নগদ টাকা লুট করা হয়েছে।’

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর জাগো নিউজকে বলেন, ‘সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ