ইবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ছাত্রী হলে বিক্ষোভ - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:১৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ইবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ছাত্রী হলে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জুলাই ১৯, ২০২৫ ২:৪৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জুলাই ১৯, ২০২৫ ৩:১৩ অপরাহ্ণ

 

ইবি প্রতিনিধি
ছবি:সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে মেয়েদের হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাত পৌঁনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হল, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হল ও জুলাই ৩৬ হলের আবাসিক ছাত্রীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এসময় তারা নিহত সাজিদের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।

বিক্ষোভে ছাত্রীরা— ‘তুমি কে? আমি কে? সাজিদ! সাজিদ!’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘আমার ভাই মরলো কেন? প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সাজিদ আব্দুল্লাহ মরলো কেন? প্রশাসন জবাব চাই’, ‘পুকুরে লাশ কেন? প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ক্যাম্পাস কেন অরক্ষিত? প্রশাসন জবাব দে’, ‘পুকুরেতে ভাসছে লাশ, প্রশাসনের নেই লাজ’, ‘আর কতো ঝরলে লাশ, প্রশাসনের ভাঙবে লাজ’, ‘প্রশাসনের টালবাহানা, বন্ধ করো করতে হবে’, ‘সিসি টিভি নেই কেন? প্রশাসন জবাব চাই’, ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করো, শিক্ষার্থীদের রক্ষা করো’, ‘সাজিদের মৃত্যুর তদন্ত, দ্রুত করো করতে হবে’, ‘ক্যাম্পাসে ক্যামেরা, নিশ্চিত করো করতে হবে’, ‘ক্যাম্পাসে লাইটিং, নিশ্চিত করো করতে হবে’, ‘শতভাগ আবাসন, নিশ্চিত করো করতে হবে’ ও ‘শিক্ষার্থীদের আবাসন, নিশ্চিত করবে প্রশাসন’সহ নানা স্লোগান দেয়।

এসময় ছাত্রীরা বলেন, গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুর থেকে আমাদের ভাইয়ের লাশ পাওয়া গিয়েছে। সেখানে আমরা তার নাকে রক্ত দেখতে পেয়েছি। লাশ উদ্ধারের চল্লিশ মিনিট পরেও অ্যাম্বুলেন্স আসেনি। এই ঘটনায় আমরা এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ দেখতে পাইনি। আমরা অতিদ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দেখতে চাই৷ যদি এটা নিয়ে প্রশাসন টালবাহানা করে তাহলে আমরা এক এক করে সব দপ্তরে তালা লাগিয়ে দিব। একজন ভাইয়ের লাশ পাওয়া গেছে, আগামীকাল আমার কিংবা অন্য কারো যে লাশ পাওয়া যাবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়? আমরা এত দূর থেকে পড়াশোনা করতে আসছি, আমাদের কি কোন নিরাপত্তা নেই?

তারা আরো বলেন, মাঝে মাঝেই আমাদের মেয়েদের হয়রানির স্বীকার হতে হয়। বহিরাগত এমনকি বাস ড্রাইভাররা পর্যন্ত আমাদের হয়রানি করে। এ ব্যাপার প্রশাসনের কোন ভ্রুক্ষেপ আমরা দেখ পাই না। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে লাইট সংকট, সিসি ক্যামেরা নেই, সামান্য একটু আকাশ খারাপ করলেই হলে বিদ্যুৎ চলে যায়। আমরা অতিদ্রুত সকল সমস্যার সমাধান চাই।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ