খালেদা জিয়ার অনুপ্রেরণায় তারেক রহমান টুঙ্গিপাড়া মাজার জিয়ারত করেন: আলাল - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:০৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার অনুপ্রেরণায় তারেক রহমান টুঙ্গিপাড়া মাজার জিয়ারত করেন: আলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২৬ ৩:৩৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২৬ ৩:৩৬ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আলাল বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপ্রেরণাতেই তারেক রহমান টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

তিনি বলেন, জাতীয় নেতাদের প্রতি সম্মান দেখানো এবং রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও সৌহার্দ্য ও সহনশীলতার রাজনীতি চর্চার শিক্ষা বেগম খালেদা জিয়া নিজে দিয়েছেন এবং তা তার সন্তানদের মধ্যেও প্রতিষ্ঠা করেছেন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারী) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আইনজীবী এসোসিয়েশন, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নাগরিক শোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলাল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন নেতৃত্ব ও মাতৃত্বের অনন্য সমন্বয়। তাঁর নেতৃত্বে দৃঢ়তা ছিল, আবার মাতৃত্বে ছিল শাসন ও স্নেহের ভারসাম্য। এই দুইয়ের মিলনেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক ব্যতিক্রমী রাষ্ট্রনায়ক।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় উদাহরণে ভরা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, প্রবাসী কল্যাণ, রেমিটেন্স ও অর্থনৈতিক কাঠামো গঠনে তাঁর অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা যারা শুধু মুখে বলেছে, তাদের অনেকেই তা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারেনি। অথচ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

আলাল আরও বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারই প্রথম দেশে ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু করে। তথ্যপ্রযুক্তির যে অগ্রযাত্রা আজ বাংলাদেশে দৃশ্যমান, তার ভিত্তি তখনই রচিত হয়েছিল। সেই সময় তারেক রহমান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেন, যা ছিল সময়ের তুলনায় অনেক অগ্রসর চিন্তা।

তারেক রহমানকে ঘিরে নানা অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে আলাল বলেন, হাওয়া ভবন থেকে যে ল্যাপটপটি নেওয়া হয়েছিল, সেখানে কোনো অবৈধ সম্পদের নয়, বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, অর্থনীতি বহুমুখীকরণ ও গণতন্ত্রকে তৃণমূলে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এমন একজন নেতা, যিনি নিজের দলের প্রভাবশালী নেতা বা মন্ত্রী হলেও অনিয়মের অভিযোগে ছাড় দেননি। নিজের দলের সংসদ সদস্য কিংবা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধেও কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে তিনি পিছপা হননি, যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল দৃষ্টান্ত।

আলাল দাবি করেন, বেগম খালেদা জিয়া প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন না। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এত নির্যাতন ও অবহেলার পরও প্রতিহিংসার পরিবর্তে ভালোবাসা ও স্থিতিশীলতার আহ্বান জানানো কেবল তাঁর পক্ষেই সম্ভব ছিল।

বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তার প্রসঙ্গে আলাল বলেন, তাঁর জনপ্রিয়তায় কখনো ভাটা পড়েনি। জীবদ্দশায় যেমন জনগণের ভালোবাসা পেয়েছেন, তেমনি তাঁর মৃত্যুর পর সেই ভালোবাসা আরও গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ