গুলশান-বাড্ডা-নতুনবাজারে সংঘর্ষের যে চিত্র দেখলেন বিবিসি বাংলার সংবাদদাতারা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:২৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গুলশান-বাড্ডা-নতুনবাজারে সংঘর্ষের যে চিত্র দেখলেন বিবিসি বাংলার সংবাদদাতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০২৪ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০২৪ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীর গুলশান-বাড্ডা লিঙ্ক রোডে থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিকেল সাড়ে চারটায়ও বিবিসি সংবাদদাতারা সেখানে পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হতে দেখেছে। আন্দোলনকারীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাড্ডার বিভিন্ন গলি থেকে পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ থেমে থেমে তাদের দিকে টিয়ারশেল, রাবারবুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে থাকে। আন্দোলনকারীদের মধ্যে নানা বয়সী ও শ্রেণি-পেশার মানুষ দেখা গেছে। তাদের অনেকে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় ছিলেন। কেউ ছবি তুলতে চাইলে বাধা দিতে দেখা যায় তাদের। পুলিশ প্লাজার দিক থেকে গুলশান-১ এর সড়কের দিকে আন্দোলনকারীকে জড়ো হতে গেছে। তাদের ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি ফোর্স মোতায়েন করতে দেখা যায়। এসময় তাদের সঙ্গে কিছু সংখ্যক স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মীদের যোগ দিতে দেখা গেছে। বেলা পাঁচটার দিকে আমেরিকান অ্যাম্বেসির সামনে যায় বিবিসি বাংলার একটি টিম। সেখানে তিনদিক থেকে আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্যদের সাংঘর্ষিক অবস্থানে দেখা গেছে। অ্যাম্বেসির উল্টো পাশে ভাটারা থানা অতিক্রম করে কিছু দূরেই পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ চলতে দেখা যায়। এসময় সেখানে কিছু সংখ্যক নারী পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। নতুনবাজারের দিকে রাস্তাও আন্দোলনকারীদের উপস্থিতি ছিল। সেখানে ক্রমাগত টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছুড়তে দেখা যায় পুলিশকে। বিপরীত পাশে বাড্ডার দিকে সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বিপরীতমুখী অবস্থানে দেখা যায় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের। সেখানে বিজিবির দুটি আর্মার্ড পারসোনাল ক্যারিয়ার (এপিসি) নিয়ে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় ছিল পুলিশ। গোটা প্রগতি সরণিতে ব্যাপক ভাঙচুর হয়েছে। পুড়ে যাওয়া অন্তত ৩টি গাড়ি ও ৪টি মোটরসাইকেল দেখতে পেয়েছে বিবিসি বাংলার সংবাদদাতারা। সমগ্র প্রগতি সরণিজুড়ে সড়কে স্থানে স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। পড়ে ছিল গাছপালা ও ধাতব সড়ক বিভাজক। এ সময় জরুরি কাজে বের হওয়া পথচারীদের বিপাকে পড়তে দেখা যায়। এক বৃদ্ধ চা বিক্রেতার সাথে কথা হয় বিবিসি বাংলার সংবাদদাতার। তিনি হাঁটতে পারেন না বলে অ্যাম্বেসির সামনে রাস্তার ওভারব্রিজের নিচে বসে ছিলেন। পুলিশ সদস্যরা তাকে বারবার সেখান থেকে চলে যেতে বলছিলেন। মোহাম্মদ সোবহান নামের এই বৃদ্ধ বিবিসি বাংলাকে বলেন, “আমি হাঁটতে পারলে এহানে বসে থাকতাম বাবা? এই অশান্তি হইবো তো আমি জানতাম না। তোমাগো কাকিরে পাঠিয়ে দিছি। আমি রিকশা না পেলে ক্যামনে যাই?” এই এলাকায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে ক্লান্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই পুলিশ সদস্যরা সংঘর্ষে তাদের বেশ কয়েকজন সহকর্মী আহত হওয়ার কথা জানান।সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ