চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারী সাংবাদিককে ছাত্রলীগের হেনস্তা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:০৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারী সাংবাদিককে ছাত্রলীগের হেনস্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৩ ১০:৫০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৩ ১০:৫০ অপরাহ্ণ

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কর্মরত এক নারী সাংবাদিককে নিরাপত্তার হুমকি প্রদানসহ উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস)। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে প্রক্টর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেয় সংগঠনটি।

চবিসাসের দপ্তর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ আজহার স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস) সদস্য ও দৈনিক সমকালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মারজান আক্তারসহ উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ছাত্রলীগ কর্মীদের কর্তৃক হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

এ সময় ওই নারী সংবাদকর্মীকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে উত্ত্যক্ত করতে থাকেন ছাত্রলীগের অনুসারীরা। এ ছাড়া সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায় একটি ভিডিও ফুটেজে। ঘটনার সময় ওই সাংবাদিকের ব্যাগ টেনে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন ছাত্রলীগ কর্মীরা। এরপর ‘তোর নিরাপত্তা কে দেয় দেখব’ বলেও হুমকি প্রদান করা হয় তাকে।

অভিযুক্তরা হলেন- ভিএক্স গ্রুপের অনুসারী ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম (আইআর, সেশন-২০১২-১৩), সমাজতত্ত্ব বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী মারুফ হাসান, বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী তৌহিদুল হক ফাহাদ, একই সেশনের রাজনীতি বিজ্ঞান। বিভাগের শিক্ষার্থী শহীদুর রহমান স্বপনসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জন ছাত্রলীগ কর্মী।

ভুক্তভোগী মারজান আকতার বলেন, ছাত্রলীগের অনুসারীরা যখন চারুকলার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বাধা দিচ্ছিলেন, তখন পেশাগত দায়িত্ব হিসেবে আমি ফুটেজ নিচ্ছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগের ভিএক্স গ্রুপের অনুসারীরা এসে আমাকে আটকায় এবং ভিডিও ডিলিট করার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমি ভিডিও ডিলিট করব না বলায় তারা আমাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতে থাকে।

তিনি বলেন, এ সময় তারা বলছিল, ‘তোর নিরাপত্তা কে দেয় আমরা দেখব’। চারদিক থেকে ঘিরে ধরে আমার সঙ্গে এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। পরে আমি সেখান থেকে আসার সময় তারা আমার মোবাইল এবং ব্যাগ কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

অভিযুক্তদের একজন শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ভিএক্স গ্রুপের নেতা মারুফ আহমেদ বলেন, আমরা সাংবাদিককে প্রথমে সাধারণ শিক্ষার্থী মনে করেছিলাম। তাই ভিডিও ডিলিট করতে বলি। কিন্তু তিনি যখন সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছেন তখন আমরা আর কিছু বলিনি।

প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাস্থলে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা না থাকায় এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়ে আমরা আগেও ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ