জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে মুক্ত আলোচনা - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৪৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে মুক্ত আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে নোবেল ওয়েলনেশ একাডেমিতে আয়োজিত পুষ্টি বিষয়ক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা। ছবি: খবরের কাগজ
বারডেমের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার মহুয়া বলেছেন, ‘পুষ্টি বৈষম্য দূর করতে সবার একত্রে কাজ করা প্রয়োজন। পুষ্টি পরামর্শ প্রদানের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও অ্যাকাডেমিক প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেসব পেশাজীবী পুষ্টি বিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন, তাদের পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ প্রদানে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

’বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানীর গ্রিন রোডে নোবেল ওয়েলনেশ একাডেমির সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত। অনুষ্ঠানে পুষ্টিসংক্রান্ত দেশের প্রায় ২৪টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। মিডিয়া পার্টনার ছিল খবরের কাগজ।

পুষ্টিবিদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুষ্টিবিদ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি, জেনারেল সেক্রেটারি রেবেকা সুলতানা, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি ইসলাম, অ্যাডিশনাল জেনারেল সেক্রেটারি সাজিয়া মাহমুদ, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি কাজী হামিদা বাণু বর্ষা ও অর্গানাইজিং সেক্রেটারি আমিনা শাহানা হাসমি, প্রফেসর শাহীন আহমেদ। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইয়্যদা লিয়াকত, আমান্না জাহান বিভা, কাজি হামিদা বর্ষা, সুমাইয়া শাহনাজ সিরাজাম মুনিরা, আমেনা হাশমি, আয়েশা সিদ্দিকা, সৈয়দা শারমিন আক্তার ও ইসরাত জাহান।

পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার মহুয়া আরও বলেন, ‘দেশে পুষ্টি সেবার মান উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে একটি সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত পরামর্শ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যেখানে প্রশিক্ষিত ও স্বীকৃত পেশাজীবীদের ভূমিকা নিশ্চিত থাকবে।’

প্রফেসর শাহিন আহমেদ বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে অসচেতনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে তেলের ব্যবহার, শাকসবজির পরিমাণ এবং খাবারের সঠিক নিয়মনীতি অনুসরণের ক্ষেত্রে সচেতনতার ঘাটতি রয়েছে। এই অসচেতনতা ধীরে ধীরে অপুষ্টির দিকে মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি আরও বলেন, মা ও শিশুর পুষ্টি যদি সঠিক না হয়, তাহলে এর প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না বরং তা সমাজ ও জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকেও ক্রমাগত দুর্বল করে তোলে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ