‘ডামি সরকার ওয়ান ইলেভেনের ধারাবাহিকতা মাত্র’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:৫৯, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

‘ডামি সরকার ওয়ান ইলেভেনের ধারাবাহিকতা মাত্র’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জানুয়ারি ১২, ২০২৪ ১:৩০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জানুয়ারি ১২, ২০২৪ ১:৩০ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের জনগণ ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। ফ্যাস্টি শেখ হাসিনাকে জণগণ চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এর সাথে জড়িত প্রক্রিয়া, ব্যক্তি, ফলাফল, শপথ, সংসদ, সরকার সবকিছুই প্রত্যাখ্যাত। অগ্রহণযোগ্য।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতির ইতিহাসে ডামি প্রার্থী, ভোটার, এজেন্ট, পর্যবেক্ষক, ফলাফল, এমপি, শপথের মধ্যদিয়ে গতকাল ওয়ান ইলেভেনের দিনে আরেকটি কৃষ্ণতম মেকি সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। ৭ জানুয়ারির তথাকথিত নির্বাচনটি ছিল গণতন্ত্রকামী জনগণের আন্দোলনের পক্ষে এবং ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ডামি নির্বাচন বর্জনের পক্ষে একটি সুস্পষ্ট গণরায়। এই ডামি সরকার ওয়ান ইলেভেনের ধারাবাহিকতা মাত্র।

‘২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি, এই দিনে গভীর ষড়যন্ত্রের নীলনকশার মাধ্যমে দেশটাকে প্রভুদের করদ রাজ্যে পরিণত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, তারই ধারাবাহকতায় আবারও সেই একই দিনে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করলো হাসিনার সরকার।’

তিনি বলেন, দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র তারা সফল করলো। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব—গণতন্ত্রের বিনিময়ে বাকশালের দ্বিতীয় সংস্করণ চালু করলেন শেখ হাসিনা। বিদেশি পত্রপত্রিকা মিডিয়া এবং রাজনীতি বিশ্লেষকরা সোচ্চার কণ্ঠে বলছে, বাংলাদেশে একতরফা একদলীয় ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে একদলীয় রাষ্ট্র কায়েম করেছেন শেখ হাসিনা। এটা বাকশাল ২.০।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ডামি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আওয়ামী লীগ আর তাদের ডামি শরীকদের মধ্যেই শুরু হয়েছে গৃহদাহ। গত বুধবার শেখ হাসিনা গতবার রাতে ভোট হওয়ার স্বীকারোক্তি দিয়ে “এবার দিনের ভোট রাতে হয়েছে বলার ক্ষমতা নেই” -বলে তাদের দলের অভ্যন্তরীণ বিবাদ—গৃহদাহ নিরসন করতে চাইলেও ব্যর্থ হচ্ছেন।

“আওয়ামী লীগের পরাজিত নেতারাই শেখ হাসিনাকে অবৈধ ভোটের প্রধানমন্ত্রী উপাধি দিচ্ছেন। এবার যে নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতি হয়েছে তা নিজেরাই সংবাদ সম্মেলন করে তুলে ধরছেন। এতদিন দেশের সমস্ত জনগণ বলেছে, আমরা বলেছি। আর এখন তারা নিজেরা বলছেন। সংসদে বিদ্যুৎ বিক্রি করা এক গানের শিল্পী বলেছেন, ‘মৃত মানুষ, বিদেশে আছে তাদের ভোটও দেয়া হয়েছে’।”

তিনি বলেন, থলের বিড়াল সব বেরোচ্ছে। সব অপকর্মের খবর ফাঁস করছে। এতদিন বাংলাদেশ তথা বিএনপি বলেছে শেখ হাসিনা ভোট ডাকাত। এখন আওয়ামী লীগের লোকজনই বলছে ‘শেখ হাসিনা ভোট চোর, ভোট ডাকাত’।

রিজভী বলেন, এই প্রতারণার ডামি নির্বাচনকে কেউ স্বীকৃতি দেয়নি। অচীরেই এই সরকার চোরাবালিতে হারিয়ে যাবে। কারণ এরা অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্য নিপীড়নের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে, বিশ্বমানবতার শত্রু হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যাচার ও উৎপীড়নের কাহিনী আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। এরা (আওয়ামী লীগ) এমন একটি দুর্নীতির সংস্কৃতি তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে কল্পস্বর্গ বানিয়ে আনন্দে আত্মহারা। আর এদিকে সাধারণ মানুষ ক্ষুধা, দারিদ্র আর অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার আবু আসফাক, আমিনুল ইসলাম, তারিকুল আলম তেনজিং প্রমুখ।


 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ