ডিমের দামে অস্থিরতায় ডিম সমিতির কারসাজির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, মে ২৫, ২০২৪ ৩:১৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, মে ২৫, ২০২৪ ৩:১৬ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ওঠানামা করার দায় তেজগাঁও’য়ের ডিম পাইকারদের উপর চাপিয়েছে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোল্ট্রি এসোসিয়েশন (বিপিএ)।
ডিম পাইকারদের সংগঠন তেজগাঁও ডিম সমিতি মোবাইল এসএমএস ও ফেইসবুকের মাধ্যমে দাম বাস্তবায়ন করে। তারা কম দামে ডিম কিনে নিয়ে কোল্ড স্টোরেজ করে পরবর্তীতে বেশি দামে বিক্রি করে ও সেই মূল্য সাধারণ ডিম ব্যবসায়ীরা সেই দামে কিনতে বাধ্য হয়।
শনিবার (২৫ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এইসব অভিযোগ করে বাংলাদেশ পোল্ট্রি এসোসিয়েশন (বিপিএ)।
সংগঠনের সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার বলেন, খামারি মালিক থেকে চার দিন পর পর ডিম কিনে আড়ৎদার। খামারি চাইলে অন্য কারো কাছে ডিম বিক্রি করতে পারেনা। একই পাইকারের কাছে ডিম বিক্রি করতে হয়। তেজগাঁও ডিমের বাজার থেকে যে মূল্য নির্ধারণ করে সাধারণ ডিম ব্যবসায়ীদের সেই দামে কিনতে হয়। পাইকারি-খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ওঠানামা তেজগাঁও ডিম সমিতির নির্ধারিত দামের উপর নির্ভর করে।
তার অভিযোগ, পাইকারি খুচরা পর্যায়ে প্রতিদিন প্রতি শতকে ডিমে ১০ টাকা ২০ টাকা করে কমিয়ে ৭ টাকায় দাম নামিয়ে আনে। আবার একই নিয়মে বাড়িয়ে দিয়ে ডিমের পিস ১৩ টাকায় পৌঁছায়। মোবাইল এসএমএস ও ফেইসবুকের মাধ্যমে দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে বাড়তি বা কম দাম বাস্তবায়ন করে তেজগাঁও ডিম সমিতি। ঢাকা কাপ্তান বাজার ডিম সমিতি সাভার, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, স্বরূপকাঠি, ময়মনসিংহ কিশোরগঞ্জ রংপুর এই দাম অনুসরণ করে। এরপরে তারা কম দামে ডিম কিনে কোল্ড স্টোরেজ করে পরবর্তীতে সেই ডিম সিন্ডিকেট করে বেশি দামে বিক্রি করে অতি মুনাফা করছে। অন্যদিকে উৎপাদক ন্যায্য মূল্য না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উৎপাদন থেকে সরে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিপিএয়ের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চাষী মামুন বলেন, ছোট ছোট কৃষি ও শিল্প ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মধ্যসত্বভোগী, সিন্ডিকেট ও করপোরেট ব্যবসায়ীর স্বার্থে এটা করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ধ্বংস করে কোন দেশ পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
সংবাদ সম্মেলনে ডিম মুরগির সংকট নিরসন, বন্ধ খামারগুলোকে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা ও প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের সুরক্ষায় আগামী বাজেটে এক হাজার কোটি টাকা তহবিল বরাদ্দের দাবি জানানো হয়। সেইসঙ্গে ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা অসাধু সিন্ডিকেটকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি করেন সংগঠনের নেতারা।
জনতার আওয়াজ/আ আ