তারেক রহমান ড. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রেস ব্রিফিং
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ৮, ২০২৩ ২:৫৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ৮, ২০২৩ ২:৫৫ অপরাহ্ণ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আস-সালামু আলাইকুম
তারিখ : ০৭ জানুয়ারী ২০২৩
স্থান : ব্রিকলেইন, ইস্ট লন্ডন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণী ডাঃ জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে নিশিরাতের অবৈধ সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ফরমায়েশী রায়ের প্রতিবাদে ৭ জুন শনিবার পূর্ব লন্ডনে প্রেস ব্রিফিং করেছে যুক্তরাজ্য বিএনপি। যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ।
এ সময় প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যে বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহসভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক পারভেজ মল্লিক,যুগ্ম সম্পাদক খসরুজ্জামান খসরু, মিসবাহুজ্জামান সোহেল, ডক্টর মুজিবুর রহমান,(দপ্তরের দায়িত্বে, সহদপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সেচ্ছাসেবক সেবকদলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহিন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, যুক্তরাজ্যে বিএনপির প্রচার সম্পাদক ডালিয়া লাকুরিয়া, সেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, বিএনপি নেতা নুর বকস প্রমুখ।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ফরমায়েশী রায়ের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্য বিএনপি ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তার অংশ হিসাবে আগামী ৯ জানুয়ারি দুপুর ১ ঘটিকায় ১০ নং ডাউনিং স্ট্রীটের সামনে যুক্তরাজ্য বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান। এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির অধীনস্থ জোনাল কমিটি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে নিজ নিজ ইউনিটে প্রতিবাদ সভা অনুস্টিত হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ের পূর্ণাঙ্গ অংশঃ
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ
আজ একটি বিশেষ কারণে আমরা এই সাংবাদিক সম্মেলন আহবান করেছি। আপনারা জানেন, বাংলাদেশ আজ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। বিনাভোটে মাফিয়া সরকার প্রধান শেখ হাসিনার ক্ষমতায় লোভ, বর্তমানে বাংলাদেশকে আওয়ামী জাহেলিয়াতে পরিণত করেছে। ক্ষমতার লালসা মেটাতে মাফিয়া চক্রের প্রধান শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ, দুদক, নির্বাচন কমিশন এবং বিচার বিভাগসহ দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রেই বিশেষ করে বিরোধী দলের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিচার বিভাগের আচরণ ছাত্রলীগ-যুবলীগ কিংবা র্যাব পুলিশের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের চেয়েও নিম্নমানের। শেখ হাসিনা, হাতুড়ি, লগি বৈঠা হাতে দিয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগকে এবং পুলিশের ইউনিফর্ম পরিয়ে অস্ত্র হাতে দিয়ে বিপ্লব-মেহেদী-হারুন চক্রকে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। একইভাবে আইনকে বেআইনী অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে বিচারকের চেয়ারে বসিয়ে বিচারের নামে কতিপয় বিচারককেও মনে হয় বিরোধী দলের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি একজন বিচারক যেভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিনী ড. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন, এতে প্রমাণিত হয়েছে বিচার বিভাগ এখনো স্বাধীন হতে পারেনি। আমরা এই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রায়ের তীব্র নিন্দা জানাই।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ
আপনারা জানেন, ২০১২ সালে রাজধানী ঢাকায় নির্মমভাবে খুন হয়েছিল সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি। সে সময় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুমা সাহারা খাতুন বলেছিলেন, সাগর রুনির হত্যাকান্ড খোদ শেখ হাসিনা তদারক করছেন। সুতরাং, ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য বের হবে। এরপর গত দশ বছরেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য বের হয়নি। বরং আদালতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ এ পর্যন্ত ৯৫ বার পিছিয়েছে। অথচ আদালত এখনো শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি। শেখ হাসিনার সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেয়নি।
অপরদিকে ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ফান্ড থেকে ৮ শ ১০ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে যখন বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ শ ১০ কোটি টাকা লোপাট করা হয় তখনও শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ পর্যন্ত সেই রিজার্ভ ফান্ড লোপাট মামলার রহস্য বের হয়নি।
বরং বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন রিজার্ভ লোপাট মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ এ পর্যন্ত ৬৫ বার পিছিয়েছে। অথচ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ব্যাপারে আদালত কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেয়নি। আদালত এখনো সজীব ওয়াজেদ জয়ের মামলার সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেয়নি। এখানেই শেষ নয়, এসব চাঞ্চল্যকর মামলা ছাড়াও বর্তমানে দেশের সুপ্রিম কোর্ট এবং বিভিন্ন বিচারিক আদালতে বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ মামলা বিচারাধীন।
বছরের পর বছর ধরে যেখানে লক্ষ লক্ষ মামলা বিচারাধীন থাকলেও সেসব দিকে আদালতের নজর নেই। বরং বিরোধী দল বিশেষ করে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মামলা খুঁজে বের করে সেইসব মামলার রায় পড়তে আদালতের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। অপ্রিয় হলেও সত্য, রাজনৈতিক মামলার রায় পড়তে আদালতের উৎসাহ বিচারক এবং বিচার বিভাগ সম্পর্কে জনমনে অশ্রদ্ধার সৃষ্টি করে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ
শেখ হাসিনার আন্দোলনের ফসল তথাকথিত ওয়ান ইলেভেনের পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালে দায়ের করা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত একটি ভুয়া মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিনী ড. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেয়ায় আবারো প্রমাণিত হয়েছে, শেখ হাসিনার অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হাসিলে বিচার বিভাগ ব্যবহৃত হচ্ছে।
সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়ে বিচারক প্রোমোশনের স্বপ্ন দেখলেও দেশের জনগণ বিশ্বাস করে, শেখ হাসিনা যেভাবে দেশের গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটের অধিকার ক্রোক করে নিয়েছে একইভাবে দেশের বিচার বিভাগের মগজও ক্রোক করে নিয়েছে।
যখন নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার এবং ভোটের অধিকারের দাবিতে সারাদেশে গণ আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠেছে সেই সময় হঠাৎ করেই গণ আন্দোলনের প্রধান নেতার বিরুদ্ধে হঠাৎ করেই মামলার কার্যকম চালু করা হয়েছে। বিচারককে দিয়ে মামলার রায় বের করে নেয়া হয়েছে।
এই মামলার বিচার কার্যক্রম এবং রায়ের মধ্যে শেখ হাসিনার নোংরা রাজনীতি রয়েছে, যে বিচারকগণ এটি বুঝতে চাইছেন না কিংবা বুঝেও না বোঝার ভান করছেন, তাদের বিচার করার যোগ্যতা এবং সক্ষমতা নিয়ে জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। সুতরাং, বিচার কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বিচারকগন ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চান নাকি তারা নিজেদেরকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হাসিলের সঙ্গী বানাতে চান এই সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগকেই নিতে হবে।
সাংবাদিক বন্ধুগণ
আপনারা জানেন, গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকারের দাবিতে এবং মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি ১০ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেছে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকারের দাবিসহ ঘোষিত ১০ দফা দাবি আদায়ে বিএনপিসহ বাংলাদেশের পক্ষের, গণতন্ত্রের পক্ষের প্রতিটি রাজনৈতিক দল যুগপৎ আন্দোলন শুরু করেছে।
এই আন্দোলনে ভীত হয়ে পড়েছে শেখ হাসিনার মাফিয়া সরকার। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশনায়ক তারেক রহমান। তাই ক্ষমতা হারানোর ভয়ে শেখ হাসিনা জনগণের আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ করতে ছাত্র লীগ-যুবলীগ, র্যাব পুলিশের ইউনিফর্ম পরা কতিপয় সন্ত্রাসী এবং দুদকের পাশাপাশি বিচার বিভাগকেও ব্যবহার করছে।
এরই অংশ হিসেবে,তারেক রহমানের অগ্রযাত্রা থামাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিনী ড. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আজগুবি রায় দেয়া হয়েছে বলেই বিএনপি মনে করে। দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ মনে করে। এইসব উদ্দেশ্যমূলক মামলা দিয়ে কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক রায় দিয়ে আন্দোলন দমানো যাবেনা। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারাদেশে গড়ে ওঠা গণ আন্দোলন থামানো যাবেনা। কারণ বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। বাস্তবতা হচ্ছে, দেশের জনগণ শেখ হাসিনাকে বিশ্বাস করেনা। শেখ হাসিনাও জনগণকে বিশ্বাস করেনা। সেদিন আর বেশি দূরে নয় যেদিন জনগণ শেখ হাসিনার এই অবৈধ ক্ষমতা ক্রোক করে শেখ হাসিনা আর তার দালাল বিচারকদেরকে জনতার আদালতে বিচার করবে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ
আপনাদের মনে আছে, দেশের প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে অস্ত্রের মুখে দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। জনগণ আশা করেছিল, ওই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষায় আওয়ামী লীগ এবং নির্বাহী বিভাগের আনুগত্য ছেড়ে দেশের বিচার বিভাগ মেরুদন্ড সোজা করে দাঁড়াবে। স্বাধীনতা-স্বকীয়তা নিয়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, বিচার বিভাগ মনে হয় আরো ভীত হয়ে পড়েছে। তাদের কারো কারো মধ্যে মধ্যে চাকুরী হারানোর ভয় ঢুকেছে অথবা কারো কারো মধ্যে প্রমোশনের লোভ ঢুকেছে। ফলে অধিকাংশ সময়েই দেখা যায়, বিরোধী দল বিশেষ করে বিএনপির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আদালতের ভূমিকা নিন্দনীয় এবং বিচারের নামে স্রেফ অবিচার। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিচারকের আচরণ আওয়ামী লীগ দলীয় সন্ত্রাসীদের চেয়েও জঘন্য হয়ে উঠেছে।
আমরা স্পষ্ট করেই বলতে চাই, জনগণ বিচার বিভাগকে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সঙ্গে দেখতে চায়। কিন্তু বিরোধী দলের সঙ্গে বিচার বিভাগ যেভাবে শেখ হাসিনার সন্ত্রাসী বাহিনী কিংবা র্যাব-পুলিশের মতো আচরণ করছে সেটি ন্যায়বিচারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মর্যাদার সঙ্গে বিস্বাসঘাতকতার শামিল। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতা দখল করার সময় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি চাদাঁবাজিসহ কমপক্ষে ১৫ টি মামলা ছিল।
আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের এবং শেখ সেলিম আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কাছে শেখ হাসিনা ও জয়ের দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি সম্পর্কে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া সেইসব জবানবন্দি জনগণের সামনে স্পষ্ট। অথচ ক্ষমতা দখলের পর আওয়ামী লীগের নেতাদেরকে বিচারক বানিয়ে শেখ হাসিনা দলীয় বিচারকদের দিয়ে মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ১৫টি মামলা থেকেই রেহাই নিয়ে নেন।
অপরদিকে মাদার অফ ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কিংবা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকউদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলাগুলো চালানো হচ্ছে। শেখ হাসিনা অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জেনেও যেসব বিচারকরা বিচারের নামে অবিচার করে চলেছেন আমরা তাদেরকে তাদের বিবেকের মুখোমুখি হওয়ার আহবান জানাই।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ
গত একযুগের বেশি সময় ধরে আমরা দেখেছি, ছাত্র লীগ -যুবলীগ কিংবা র্যাব পুলিশের কতিপয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের মতো কোনো কোনো বিচারকও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বিচারের নামে অবিচার চালিয়েছে। তবু একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সব সময়েই বিচার বিভাগের সকল কার্যক্রমে সহযোগিতা করে এসেছে। বিচার বিভাগের অমর্যাদা করেনি।
বিচারকদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কোনো বক্তব্য মন্তব্য করেনি। অথচ, আমরা আশ্চর্যের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি, সকল প্রতিষ্ঠানের মতো বিচার বিভাগকেও নিশিরাতের সরকার তাদের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। এর ফলে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরাও বিচার বিভাগকে তাদের দলীয় প্রতিষ্ঠানের মতোই বিবেচনা করছে।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই দেখেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন বিচারক এজলাসে বসা অবস্থায় কতিপয় আওয়ামী আইনজীবীদের ওই বিচারকের সঙ্গে অসভ্য আচরণ করেছেন। এটি শুধু একজন বিচারকই নয় খোদ বিচার বিভাগের প্রতিই অবমাননার শামিল। সুতরাং, আমরা আশা করি, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক খায়েস মেটাতে বিরোধী দলের পেছনে লিপ্ত না থেকে বরং বিচার বিভাগ এবার নিজেদের হারানো মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষা পুনরুদ্ধারের দিকে নজর দেবে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ
এতক্ষন আমাদের বক্তব্য ধৈর্য ধরে শোনার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদসহ
এম এ মালিক
সভাপতি
ইউকে বিএনপি
কয়ছর এম আহমেদ
সাধারণ সম্পাদক
ইউকে বিএনপি
জনতার আওয়াজ/আ আ