দুই এমপিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরালেন মমতা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:১৪, সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দুই এমপিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরালেন মমতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
দলের অভ্যন্তরীণ সংকট ও বিদ্রোহী সাংসদদের তৎপরতার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ দুই নেত্রীকে সাংগঠনিক পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জী। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুব সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছে সাংসদ সায়নী ঘোষকে এবং মহিলা সংগঠনের সভাপতির পদ হারিয়েছেন সাংসদ মালা রয়।

তাদের জায়গায় যথাক্রমে যুবনেতা অর্নব ব্যানার্জী এবং নদিয়ার কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে দলীয় পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে সায়নী ঘোষকে যুব সংগঠনের সভাপতি হিসেবে পুনর্নিয়োগ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সময়ে মালা রায়কেও মহিলা সংগঠনের শীর্ষ পদে বহাল রাখা হয়েছিল।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাংশের বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে সায়নী ঘোষ ও মালা রায়ের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, তারা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানিয়ে নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতি চাইবেন।

দলত্যাগী গোষ্ঠীর নেতাদের দাবি, তৃণমূলের ২৮ জন লোকসভা সদস্যের মধ্যে ২০ জন ইতোমধ্যে ওই আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে সায়নী ঘোষ ও মালা রায়ের নামও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিদ্রোহী সাংসদ কাকলী ঘোষ জানিয়েছেন, নতুন গোষ্ঠী স্বীকৃতি পেলে তারা সংসদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন করবে।

এদিকে তৃণমূলের সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে কুনাল ঘোষকে। এর আগে এই পদে ছিলেন প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কুনাল ঘোষ সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দল তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে।

অন্যদিকে, দলের প্রতি অনুগত থাকা লোকসভার সদস্যদের নেতৃত্ব শক্তিশালী করতে প্রবীণ সাংসদ স্বাগতা রায়কে তৃণমূলের লোকসভা শাখার প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে।

তৃণমূলের এক জ্যেষ্ঠ রাজ্যসভা সাংসদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তিন দিন আগেই এক বৈঠকে এসব পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিদ্রোহী সাংসদদের প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, দিদি যাদের এতদিন আগলে রেখেছিলেন, তারাই এখন দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর দলকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গত ৫ জুন সব পুরোনো কমিটি ভেঙে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় তার ভাতিজা ও সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জীকে পুনরায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

সূত্র : এনডিটিভি

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ