নারায়ণগঞ্জে খোশ মেজাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ওসমান পরিবারের সহোদর - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৯:১৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জে খোশ মেজাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ওসমান পরিবারের সহোদর

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ

 

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের দুই সন্তান সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমান রয়েছেন খোশ মেজাজে। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) ও নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে তারা বর্তমান সংসদ সদস্য। একজন আওয়ামীলীগের আরেকজন জাতীয় পাটি থেকে নির্বাচিত। এবারও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শামীম ওসমান আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এবং সেলিম ওসমান জাতীয় পাটির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। দুই আসনে দুইভাই প্রতিদ্ব›িদ্বহীন। শক্তিশালী প্রতিদ্ব›িদ্ব হওয়ার মতো কোন প্রার্থী এই দুটি আসনে নেই। এ দুটি আসনে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের কেউ চিনেন না বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে শামীম ওসমান ছাড়াও মাঠে রয়েছেন আরও ৮ প্রার্থী। তারা হলেন, মো: সৈয়দ হোসেন (সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ), মো: আলী হোসেন (তৃণমূল বিএনপি), মো: মূরাদ হোসেন জামাল (জাকের পার্টি), মো: ছালাউদ্দিন খোকা (জাতীয় পার্টি), মো: সেলিম আহমেদ (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), মো. হাবিবুর রহমান (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো: শহীদ উন নবী (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), গোলাম মোর্শেদ রনি (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।
এই আসনের বেশ কয়েকজন ভোটারদের মধ্যে নজরুল ইসলাম বাবুল ও বিল্লাল হোসেন রবিন এর বক্তব্য হচ্ছে, যারা এখন মাঠে রয়েছেন শামীম ওসমানের সঙ্গে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করার মতো প্রার্থী এখানে নেই। তাদেরকে কেউ চিনেন না। মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহেরর শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর দেখা যাবে কেউ কেউ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তখন হয়তো দেখা যাবে শামীম ওসমান কোন প্রকার গণসংযোগ বা প্রচারণা ছ্ড়াাই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে সেলিম ওসমান ছাড়াও আরও ৪ প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন, এএমএম একরামুল হক (ইসলামি ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মোর্শেদ হাসান (জাকের পার্টি), মো. আব্দুল হামিদ ভাষানী ভ‚ইয়া (তৃণমূল বিএনপি), ছামসুল ইসলাম (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি)। এ আসনের ভোটার মেহেদি হাসান ও মোশারফ হোসেন মুসু জানান, সেলিম ওসমানের বিপক্ষে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের কেউ চিনে না। এখানে সেলিম ওসমান জাতীয় পাটি থেকে নির্বাচন করলেও অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় অত্যন্ত হেভিওয়েট প্রার্থী। কারণ আওয়ামীলীগ এখানে কাউকে প্রার্থী দেয়নি। সেক্ষেত্রে মহাজোট ঠিক থাকলে আগের মতো আওয়ামীলীগের ভোটও সেলিম ওসমানের বাক্সে যাবে। ফলে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পথে সেলিম ওসমান এবং চতুর্থবারের মতো শামীম ওসমান।
প্রসঙ্গত : ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন শামীম ওসমান। ২০০১ সালে আসনটি বিএনপির গিয়াস উদ্দিনের দখলে চলে যায়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী সারাহ বেগম কবরী বিজয়ী হয়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে পর পর দুইবারের নির্বাচনে শামীম ওসমান এখানকার বর্তমান সংসস সদস্য। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পাটির এ কে এম নাসিম ওসমান। ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল তার মৃত্যুর পর উপ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন এ কে এম সেলিম ওসমান। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও মহাজোটের প্রার্থী হিসে সেলিম ওসমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ