নেই বের হওয়ার ব্যবস্থা, দেয়াল টপকে বের হচ্ছে নেতা-কর্মীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৩ ৬:৪১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৩ ৬:৪১ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশে সমাবেশে ঢোকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই বের হওয়ার ব্যবস্থা। তাই রমনা কালী মন্দিরের পাশের দেয়াল টপকে সমাবেশস্থল অতিক্রম করতে দেখা গেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।
শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশে সরেজমিনে ঢোকার গেটসমূহ পর্যবেক্ষণ করে এ চিত্র দেখা যায়।
সমাবেশের উন্মুক্ত লাইব্রেরী সংলগ্ন গেটের এক নিরাপত্তা কর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সমাবেশ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সমাবেশস্থলে ঢোকার ব্যবস্থা থাকলেও বের হওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই।
তিনি আরো জানান, একজন ছাত্রলীগ কর্মীর বাবা মারা যাওয়ার কথা বলে সমাবেশস্থল থেকে বের হতে চাইলেও তাকে বের হতে দেওয়া হয় নি।
১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই সারাদেশ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ছাত্র সমাবেশে যোগ দিতে নেতাকর্মী আসতে থাকে। এখনো মিছিল নিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিট আসছে।
দুপুর থেকেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করে। বিকেল ৪টার দিকে সমাবেশস্থলে আসেন সমাবেশের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দুপুরের দিকে সমাবেশস্থলে প্রচন্ড বৃষ্টি নামে। ঘন্টাখানেকের মত বৃষ্টি হওয়ায় পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে।
ছাত্রলীগের সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের জন্য পানির বোতলের ব্যবস্থা থাকলেও নেই আবর্জনা ফেলানোর জন্য কোনো নির্দিষ্ট জায়গা। তাই পুরা উদ্যান প্লাস্টিকের পানির বোতলে একাকার হয়ে আছে।
সমাবেশস্থলে এখন পর্যন্ত কোন বিশৃঙ্খলার ঘটনা দেখা যায় নি। লোক সমাগম অনেক। সমাবেশপূর্বক পাঁচ লাখ নেতাকর্মী আনার টার্গেট হয়তো পূরণ করার সম্ভাবনা রয়েছে ছাত্রলীগের।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশে সমাবেশে ঢোকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই বের হওয়ার ব্যবস্থা। তাই রমনা কালী মন্দিরের পাশের দেয়াল টপকে সমাবেশস্থল অতিক্রম করতে দেখা গেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।
শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশে সরেজমিনে ঢোকার গেটসমূহ পর্যবেক্ষণ করে এ চিত্র দেখা যায়।
সমাবেশের উন্মুক্ত লাইব্রেরী সংলগ্ন গেটের এক নিরাপত্তা কর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সমাবেশ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সমাবেশস্থলে ঢোকার ব্যবস্থা থাকলেও বের হওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই।
তিনি আরো জানান, একজন ছাত্রলীগ কর্মীর বাবা মারা যাওয়ার কথা বলে সমাবেশস্থল থেকে বের হতে চাইলেও তাকে বের হতে দেওয়া হয় নি।
১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই সারাদেশ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ছাত্র সমাবেশে যোগ দিতে নেতাকর্মী আসতে থাকে। এখনো মিছিল নিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিট আসছে।
দুপুর থেকেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করে। বিকেল ৪টার দিকে সমাবেশস্থলে আসেন সমাবেশের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দুপুরের দিকে সমাবেশস্থলে প্রচন্ড বৃষ্টি নামে। ঘন্টাখানেকের মত বৃষ্টি হওয়ায় পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে।
ছাত্রলীগের সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের জন্য পানির বোতলের ব্যবস্থা থাকলেও নেই আবর্জনা ফেলানোর জন্য কোনো নির্দিষ্ট জায়গা। তাই পুরা উদ্যান প্লাস্টিকের পানির বোতলে একাকার হয়ে আছে।
সমাবেশস্থলে এখন পর্যন্ত কোন বিশৃঙ্খলার ঘটনা দেখা যায় নি। লোক সমাগম অনেক। সমাবেশপূর্বক পাঁচ লাখ নেতাকর্মী আনার টার্গেট হয়তো পূরণ করার সম্ভাবনা রয়েছে ছাত্রলীগের।
জনতার আওয়াজ/আ আ