নেতৃত্ব পেলে বঙ্গবন্ধুর খুনিরা ১৫ সেকেন্ডও টিকতে পারত না : আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, আগস্ট ২১, ২০২৩ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, আগস্ট ২১, ২০২৩ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
আইন, বিচার ও সংসদ-বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলেও বাঙালী কিন্তু ওই দিন বঙ্গবন্ধুকে ভুলে যায়নি। হয়ত তারা ওই দিন স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল। ওই দিন যদি বাঙালী জাতি সঠিক নেতৃত্ব পেত, তাহলে খুনিরা ১৫ সেকেন্ডও টিকতে পারত না।’
রোববার (২০ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আইন, বিচার ও সংসদ-বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ওই দিন যাদের নেতৃত্ব দেয়া উচিত ছিল, যারা নেতৃত্ব দিলে মানুষ রাস্তায় নেমে যেত, তারা বাঙালী জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এটি অস্বীকার করার কিছু নেই। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা ওই দিন খুনি মোশতাকের সাথে মন্ত্রিসভা গঠন করেছিল, শুধু তারাই যদি ওই দিন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে না যেত, তাহলেই খুনিরা টিকতে পারত না।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী। কারণ তিনি বাঙালীর বন্ধু ছিলেন। বাঙালীকে তাদের অধিকার ও স্বাধিকার সম্বন্ধে শিখিয়েছেন। তাদের জন্য সারাজীবন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন এবং প্রথমবারের মত স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। তার সারাজীবনের চিন্তা-ধারা ও আদর্শ তিনি সংবিধানে সন্নিবেশ করে গেছেন।’
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার কাজ নিম্ন আদালতে শেষ হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী। তাই আইনের শাসনের যে প্রক্রিয়া সেটা অনুসরণ করা হচ্ছে। যতদূর জানি, এখন হাইকোর্ট বিভাগে এই মামলার আপিল শুনানি চলছে। আশা করি, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে হাইকোর্টে এই মামলার শুনানির কাজ শেষ হবে।’
সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’
আলোচনা সভায় আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ-বিষয়ক বিভাগের সচিব মো: মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো: গোলাম সারওয়ার, নিবন্ধন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক উম্মে কুলসুম, আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরী এবং যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, মো: শাহিনুর ইসলাম, ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, কাজী আরিফুজ্জামান ও শেখ গোলাম মাহবুবসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন।’
অনুষ্ঠান শেষে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
সূত্র : বাসস
জনতার আওয়াজ/আ আ