পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ থাকলে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্ভব নয় - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:০৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ থাকলে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্ভব নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৫ ১১:০৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৫ ১১:০৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
এই সরকার যদি দলীয় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন এই সরকারের অধীনে সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাসদের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেছেন বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া।

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, “সংস্কার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না, তাহলে সংস্কার ছাড়া সুষ্ঠু ন্যায়বিচারও সম্ভব না। সংস্কার ছাড়াই ট্রাইবুনাল করলেন কেন? যদি সংস্কার ছাড়া নির্বাচন শুদ্ধ না হয়, তাহলে সংস্কার না করে বিচার ব্যবস্থার ভেতরেও তো রোগ রয়ে গেছে। তাহলে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে না। আর এই সরকার যদি দলীয় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন এই সরকারের অধীনে সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, “দেশে ভয়ঙ্কর একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বলতে হয়— সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দেব কোথায়? দেশের এক জায়গায় মলম লাগাবেন, আরেক জায়গায় ফোড়া বের হবে। টোটকা-ফোটকায় কাজ হবে না। একটা সামাজিক বিপ্লব করা খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে।”

‘কেউ জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে না’ জানিয়ে তিনি বলেন, “বারবার আমরা ঠকি। কেন ঠকি? জমি বর্গা দেওয়া যায়, স্বার্থ বর্গা দেওয়া যায় না। হাসিনাকে বর্গা দিয়ে ঠকেছি, খালেদাকে বর্গা দিয়ে ঠকেছি, ইউনূসকে বর্গা দিয়ে ঠকছি। এরাই পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় দেশ চালাচ্ছে, লুটপাটতন্ত্র কায়েম করেছে, লুটপাটের রাজত্ব বহাল রেখেছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে, এমনকি ভোটাধিকার পর্যন্ত হরণ করেছে।”

জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামের সম্পর্কে বলছি— তাদের তো বাংলাদেশের মাটিতে অফিস করার, তৎপরতা চালানোর কোনো অধিকার নেই। কিন্তু তারা জোর করে এখানে থাকছে কেন? এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্রের জাল। তারা বলে, সংস্কার চাই, পরিবর্তন চাই এবং আগে আগে এখানে গণভোট দিতে হবে।”

দেড় বছর পার হলেও এক ইঞ্চি বৈষম্য দূর হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন, “অভ্যুত্থান শহীদদের চেতনা ধারণ করে বলতে চাই, একটা বিষয় খুব পরিষ্কার করে বলা দরকার— আজকে অভ্যুত্থান বিজয়ের পর একটা জিকির উঠে গেল, একাত্তরের সংবিধানের কারণে নাকি স্বৈরতন্ত্র হয়েছে, ফ্যাসিস্ট হয়েছে। এটাকে রাখা যাবে না। চলে আসল সংস্কারের কথা। ইউনূস সাহেব বৈষম্য বলে ক্ষমতায় গেছেন— কত আরাম… বৈষম্যের কথা বলে উনি টিভির লাইসেন্সও দিয়েছেন। বাংলাদেশের এই যে ফ্যাসিজম… আমি মনে করি এটা একটা অসুখ, রাজনীতির সর্বোচ্চ রোগ হচ্ছে ফ্যাসিজম।”

এসময় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ