পট পরিবর্তনে ‘হাইব্রিডরা’ এখন বিএনপির নেতাকর্মী’ সেজে গেছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, আগস্ট ১০, ২০২৪ ১:৩৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, আগস্ট ১০, ২০২৪ ১:৪০ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
দলের কোনো পদ-পদবিতে নেই। ছিলেন না কোনো কর্মসূচিতে। আন্দোলন-সংগ্রামেও দেখা যায়নি বিগত দিনে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তারাই এখন বিএনপির ‘নেতাকর্মী’ সেজে গেছেন। দাপট দেখাতে শুরু করেছেন নিজ নিজ এলাকায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিভিন্ন দখল, চাঁদাবাজি আর অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন অনেকে। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিরোধী দলটির নেতাকর্মীরা।
এ পরিস্থিতিতে ‘অনুপ্রবেশকারী’ কথিত নেতাকর্মীর বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের হাইকমান্ড। পাড়া-মহল্লায় প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় মাইকিং শুরু করা হয়েছে ‘দুর্বৃত্ত’ মোকাবিলায়। শুধু হাইব্রিড নেতাকর্মী নয়, দলের কোনো নেতাকর্মীও অপকর্মে সম্পৃক্ত হলে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি নেতারা জানান, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে একটি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে তারা লড়াই করেছেন। হত্যা, নির্যাতন, মামলা-হামলা আর জেলবন্দি জীবন পার করে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে গত সোমবার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে। আর এর পরপরই দেশের বিভিন্ন স্থানের দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। যখন বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা বিজয় উৎসব নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন, পলাতক জীবন থেকে স্বাভাবিক জীবনে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, তখনই শুরু হয় বিভিন্ন স্থানে দখল, অগ্নিসংযোগ, চাঁদাবাজি ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা। এতে পুরো আন্দোলনে তাদের সফলতা, বিজয় অনেকটা ম্লান হতে থাকে।
আবার একটি পক্ষ বিএনপিসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীর ওপর দোষারোপের ‘ব্লেইম গেইম’ শুরু করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিজয়ের দিনই এক ভিডিও বার্তায় নৈরাজ্য বন্ধ করতে কঠোর নির্দেশনা দেন। এতে সারাদেশে সহিংসতা একটু কমলেও পুরোটা বন্ধ হচ্ছিল না। তখন দেশবাসী এবং দলের নেতাকর্মীকে উদ্দেশ করে সহিংসতা ও নৈরাজ্য বন্ধ করতে বার্তা দিতেই গত বুধবার ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করে দলটি। সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একই সুরে প্রতিহিংসা বন্ধ করে দেশ গঠনের আহ্বান জানান। ধ্বংস, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে ভালোবাসা ও শান্তির সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার নির্দেশনা দেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরপরই দেশের বিভিন্ন স্থানে দখল ও লুটপাটের নানা খবর আসতে থাকে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, বাসাবাড়ি দখল, লুটপাট, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বাসাবাড়িতে হামলা, সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলাসহ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গণডাকাতির খবর ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজয়ের যে আনন্দ, তা অনেকটাই ম্লান হতে থাকে। তারা শঙ্কিত হতে থাকেন নিরাপত্তা নিয়ে।
এ রকম ঘটনার মধ্যে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার গুলশান লিংক রোডে একটি প্রতিষ্ঠানের গুদাম দখল করে সেখানে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন রাজীব নামে যুবদল নেতা পরিচয় দানকারী এক নেতা। তবে যুবদলের নেতাকর্মীরা জানান, রাজীব যুবদলের কেউ না। বিগত দিনে কোনো কর্মসূচিতেও তাকে দেখা যায়নি। একইভাবে রাজধানীর গ্রিন রোডে একটি বাড়ি দখলের চেষ্টা করেন শ্রমিক দল নেতা হিসেবে পরিচয় দানকারী আক্তার হোসেন। তবে শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা জানান, এই নামে কেন্দ্রে কিংবা ওই এলাকায় কোনো নেতা নেই। পরে ওই বাড়ি দখলমুক্ত করা হয়।
বুধবার রাজধানীর পল্টন এলাকায় ‘রাঁধুনী রেস্টুরেন্ট’ মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করার ঘটনা জানার পরপরই সেখানে ছুটে যান যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নসহ অনেকে। পরে সেখানে দু’জনকে আটক করে শাস্তি দেওয়া হয়। এ রকম শুধু রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মী পরিচয়ে ‘নব্য’ দখলদারের উদয় ঘটেছে বলে বিএনপির নেতারা জানান। অবশ্য এসব অপকর্ম রুখে দেওয়ার জন্য প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সন্ত্রাসী, নৈরাজ্যকারী ও চাঁদাবাজদের ধরতে গত বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং শুরু করা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীকেও সর্বোচ্চ সতর্ক করা হয়েছে। যদি কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি রয়েছে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তুলে দেওয়ার কথাও বলেছেন দুই মহানগরের নেতারা।
দলের নেতাকর্মীরা জানান, গত বুধবার ঢাকার সমাবেশ যেন মহাসমাবেশে রূপ নেয়। এ সমাবেশে বিগত দিনে আওয়ামী লীগের হালুয়া-রুটির ভাগীদার এমন লোকজনকে দেখা গেছে মিছিলের অগ্রভাগে। এর মধ্যে বাংলাবাজার এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা ও কাউন্সিলর আজাদ হোসেন ছোটন, ওয়ারী এলাকার কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলোর দেহরক্ষী, গাড়িচালক থেকে শুরু করে তার অনুসারী, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আলী সোবহানকে বড় মিছিল নিয়ে আসতে দেখা গেছে। এ রকমভাবে আরও অনেক মিছিল দেখা গেছে; যারা বিগত দিনে আওয়ামী লীগের মিছিল, সমাবেশ কিংবা কর্মসূচিতে সরব ছিলেন। এখন তারা ভর করছেন বিএনপির ওপর। অনুপ্রবেশকারীরা দলের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীর।
রাজধানী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। বিগত দিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলেও এখন বিএনপি পরিচয়ে অপকর্ম করছেন। যারা এতদিন আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিংয়ে নিয়মিত ছিলেন, তারা এখন বিএনপির মিছিলে আসছেন। মোবাইলে ছবি তুলে নিজেকে বিএনপি প্রমাণের চেষ্টা করছেন। এই গোষ্ঠীটি নিয়ে বিপদে আছেন দলের হাইকমান্ড। তাদের চিহ্নিত করে এখনই সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন শীর্ষ নেতা তারেক রহমান।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দলের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এরই মধ্যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএনপির ওয়ার্ড থেকে জাতীয় পর্যায় এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ওয়ার্ড থেকে কেন্দ্রীয় কমিটি পর্যন্ত কোনো স্তরেরই কমিটিতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী বা অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে যোগদান করানো যাবে না।
জানা গেছে, এসব অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন অপকর্ম করলেও দায় নিতে হচ্ছে বিএনপিকে। মঙ্গল ও বুধবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নুনেরটেক এলাকায় শ্রমিক লীগ নেতা শুক্কুর মাহমুদের ইন্ধনে আওয়ামী লীগের ১৬ নেতাকর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে যাওয়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালায়।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ এলাকার পানপাড়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মায়েনারা পারভীন পান্না দল পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। তিনি সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। শেখ হাসিনার পতনের পর মঙ্গলবার পারভীনের অনুসারীরা হঠাৎ করে প্রচার করেন– তারা বিএনপির রাজনীতি করেন। স্থানীয়ভাবে যারা গত নির্বাচনে তাদের বিরুদ্ধে ছিল, তাদের বাড়িসহ পোস্ট অফিসের পেছনের মালী বাড়ি নামে একটি হিন্দু বাড়িতে হামলার জন্য সংঘবদ্ধ হয়। এ সময় এলাকার লোকজন রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা বিএনপির নেতারা সেনাবাহিনীর একটি টহল দল নিয়ে পানপাড়া এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আবার সমাজে একটি অস্থিরতা তৈরি করতেও একটি পক্ষ নানা ষড়যন্ত্র করছে বলে বিএনপি নেতারা জানান। এর মধ্যে রাজধানীতে প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় গণডাকাতি হচ্ছে বলে প্রতি রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা শুরু করছে একটি পক্ষ। আবার কোথাও কোথাও এমনটা বাস্তবেও ঘটছে। এসবের সঙ্গেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে বিএনপি নেতারা জানান।
গত বুধবার রাতে সেনানিবাস এলাকার ইসিবি চত্বরের আবাসিক এলাকায় রাত ৯টার দিকে একটি সংঘবদ্ধ দল অস্ত্র হাতে গোলাগুলি শুরু করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক শুরু হয়। পরে ওই দলটি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে হামলা করে লুটপাট শুরু করলে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের মধ্য থেকে চার ডাকাতকে আটক করে। পরে সেনাবাহিনীকে খবর দিয়ে সম্মিলিতভাবে আরও আটজনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। তারা স্বীকারোক্তিতে বলে, স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ভাড়ায় তারা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে আসে। তবে সুযোগ পেয়ে লুটপাটও শুরু করে। ওই আওয়ামী লীগ নেতা একটি গ্রুপ কোম্পানির মালিক। আত্মগোপনে থাকলেও তার অনুসারীরা বুধবার সকালেও বিএনপি নেতাকর্মীর ওপর হামলা করে বলে জানান স্থানীয়রা।
অনুপ্রবেশকারী, উস্কানিতে সম্পৃক্ততা ছাড়াও বিএনপিরও কিছু নেতাকর্মী ক্ষমতার পালা বদলের পর দখল, লুটপাট করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে পিরোজপুর জেলায় কাউখালী, হুলারহাট, সদরের বিভিন্ন গ্রামে অনেক অনুপ্রবেশকারী নেতা– যারা বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন; সেসব নেতার বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। এসব নেতা বিগত দিনে কোনো কর্মসূচিতে না থাকলেও এখন লুটপাটে ব্যস্ত। তারা মানুষের বাড়িঘর, গরু-ছাগল পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছেন। গাছ কেটে নিচ্ছেন।
জেলা বিএনপির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একসময়ে বিএনপি করলেও পরে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং হয়েছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর। এখন আবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিএনপির নেতা হয়েছেন। এক অসহায় নারীর বাড়ি থেকে ছয়টি গরু নিয়েছেন ওই কাউন্সিলর জামাল।
জেলা ছাত্রদলের একজন নেতা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তারা ১৭ বছর ধরে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে এখন একটু স্বস্তি পেয়েছেন। অথচ গুটিকয়েক নেতা যেভাবে অপকর্ম করছেন, তাতে জনগণের ভালোবাসা, আস্থা অনেক হ্রাস পেয়েছে এ কয়েক দিনে।
প্রতিরোধ কমিটি গঠন
সহিংসতা, লুটপাট বন্ধ, সব ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত, সাধারণ মানুষের সম্পদ এবং সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতারা এলাকাভিত্তিক শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াবে বিএনপি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহত ছাত্র-জনতার পাশে সহমর্মিতা নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরেজমিন সাক্ষাতের জন্য এই কমিটিতে দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টারা সম্পৃক্ত থাকবেন। এজন্য বিভাগ অনুযায়ী গঠন করা হয়েছে বিভাগীয় টিম।
সামাজিক কাজে মনোযোগ
দলীয় কর্মসূচির বাইরে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন। এর মধ্যে রয়েছে সারাদেশে রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ট্রাফিক কার্যক্রম কর্মসূচি। সূত্রঃ সমকাল
জনতার আওয়াজ/আ আ