পিলখানায় দেশের সার্বভৌমত্ব মাটিচাপা দেয়া হয়েছে : ডা. ইরান
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪ ৯:৩১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪ ৯:৩২ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব দুর্বল ও দেশের সামরিক বাহিনীকে মেধাশূন্য করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে ২০০৯ সালে পিলখানায় হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।
তিনি বলেছেন, ‘২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাযজ্ঞ ঘটানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশকে পঙ্গু বানানো। এই হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। সেদিনের সেই নারকীয় ঘটনার মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। সেদিন শুধু চৌকস সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে মাটিচাপা দেয়া হয়নি, প্রকৃতপক্ষে সেদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।’
রোববার বিকেল ৫টায় রাজধানীর নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ লেবার পার্টি ঢাকা মহানগর আয়োজিত পিলখানা হত্যাকাণ্ড দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘পিলখানার নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিচার কার কাছে আমরা চাইব? বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ভুলুণ্ঠিত হয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে শহীদ সেনা দিবস ও জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হোক।’
তিনি আরো বলেন, ‘ওই ঘটনার পেছনে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র দায়ী। ২৫ ফেব্রুয়ারির ওই নির্মম হত্যাকাণ্ডের কুশীলব কারা ছিলো জাতি আজও জানতে পারেনি। তাদেরকে কেন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলো না? জাতি সেটা জানতে চায়।’
মানবাধিকার সংরক্ষণ সংস্থার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই বলেন, ‘পিলখানায় যা ঘটেছিল তা নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সেই ঘটনা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতনকেও হার মানিয়েছে।’
মহানগর নেতা এনামুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হিন্দুরত্ম রামকৃষ্ণ সাহা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য মো: সাদ্দাম হোসেন, যুগ্ম-মহাসচিব মো: হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মুফতি তরিকুল ইসলাম সাদী, মহিলা সম্পাদিকা নাসিমা নাজনিন সরকার, মহানগর নেতা তারেক আজিজ, মো: জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রমিশন সভাপতি সৈয়দ মো: মিলন ও কেন্দ্রীয় সদস্য পারভেজ বেপারী প্রমুখ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জনতার আওয়াজ/আ আ