বাংলাদেশে গুম: জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল নিউইয়র্ক, লন্ডন, সিডনি - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৭:২৮, রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বাংলাদেশে গুম: জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল নিউইয়র্ক, লন্ডন, সিডনি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ

 

বাংলাদেশে অব্যাহত গুম, খুন আর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে নজিরবিহীন বিক্ষোভ দেখা গেছে বর্হিঃবিশ্বে। এবারের আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধী দিবসটা ছিল ভিন্ন রকমের। নিখোঁজ ব্যক্তিদের তাদের স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেবার যে ডাক ঢাকায় উঠেছে তা প্রতিধ্বনিত হয়েছে লন্ডন, নিউইয়র্ক আর সিডনির মতো শহরগুলোতে। জোরালো দাবি উঠেছে বাংলাদেশে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা এবং জাতিসংঘের অধীনে এসব ঘটনাবলির নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্তের।

বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে ১৭ মানবাধিকার সংস্থার বিক্ষোভ

বাংলাদেশে গুমে জড়িতদের আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি উঠেছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ১৭ মানবাধিকার সংস্থার উদ্যোগে বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান। সাউথ এশিয়ান পলিসি ইনিশিয়েটিভের উদ্যেগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তম আয়নাঘর হিসেবে উল্লেখ করে গুম হওয়া মানুষদের ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশকে মুক্ত করার আহ্বান জানান।

আমার দেশ ইউ কে’র নির্বাহী সম্পাদক অলিউল্লাহ নোমানের সভাপতিত্বে ও সাপ্তাহিক সুরমার সম্পাদক শামসুল আলম লিটনের পরিচালনায় সমাবেশে গুমের শিকার হওয়া ব্যবসায়ী মশিউর রহমান মামুন, ক্যাপ্টেন ওয়াহিদ উন নবী, মেজর অবঃ এ কে এম জাকির হোসেন বক্তব্য রাখেন।

তাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে কিভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বাহিনী গুলো ভিন্নমতের লোকদের ধরে নিয়ে গুম করে এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের কিভাবে নির্মম নির্যাতন করা হয়।

এছাড়া গুমের শিকার পরিবার গুলোর সদস্যদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ধরে নেওয়ার পর গুমের শিকার ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহ আমান আযমীর বড় ভাই মামুন আল আযমী, ব্রিগেডিয়ার আযমীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট চৌধুরী আমিন, ভিকটিম পরিবারের সদস্য ড. কর্ণেল (অব) শহিদ উদ্দিন খান, রাসেল শাহরিয়ার ও তরিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-জাস্টিস ফর রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশনের যুক্তরাজ্য সভাপতি ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক সেন্টারের সভাপতি প্রফেসর ড. শেখ রামজি, সলিডারিটি ফর হিউম্যান রাইটস ইউকে’র সভাপতি প্রফেসর আবদুল কাদির সালেহ, সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকে’র আহ্বায়ক এম এ মালিক, বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, মুফতি শাহ সদর উদ্দিন, সোসাইটি ফর ডেমোক্রেটিক রাইটস-এর সভাপতি ব্যারিস্টার ইকবাল হোসাইন, সাবেক যুব নেতা আশিকুর রহমান আশিক, মানবাধিকার সংগঠন নিরাপদ বাংলাদেশ চাই-এর সভাপতি মুসলিম খান, ফাইট ফর রাইটের সভাপতি রায়হান উদ্দিন, জিন্নাত ইব্রাহিম তানিম, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল মুমিন, ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম, মানবাধিকার কর্মী আসাদুল হক, পিচ ফর বাংলাদেশ’র ডলার বিশ্বাস ও মাহিন খান, মোর্শেদ আহমদ খান, আলী হোসেন, এডভোকেট আমির হোসেন সরকার, আরিফ আহমদ, মির্জা এনামুল হক, বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, মো: আমিনুল ইসলাম সফর, মঞ্জুর আহসান পল্টু প্রমুখ।

প্রফেসর ড. শেখ রামজি বলেন, দেশে দেশে ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্রীয় বাহিনী গুলোকে ব্যবহার করে ভিন্নমতের লোকদের গুম করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করতে হলে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

প্রফেসর আবদুল কাদির সালেহ বলেন, বাংলাদেশে গুমের মত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে অহরহ। সরকার নিজেদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে ভিন্নমত দমনে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে। ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

ব্যারিস্টার ইকবাল হোসেন বলেন, শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক এই দিবসটিতে ফ্যাসিবাদী শাসকদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে গুমের মত মানবতা বিরোধী গুলো এক সময় বিচারের আওতায় আসবে। এই অপরাধের সাথে যারা জড়িত তাদের একদিন আইনের মোকাবেলা করে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

মাহিদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে যারা গুমের শিকার হয়েছেন তাদেরকে বের করতে হলে লড়াই করতে হবে। লড়াই করেই পরাজিত করতে হবে শেখ হাসিনার মত ফ্যাসিবাদী সরকারকে। তাদেরকে আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

এম এ মালিক বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। গুমের শিকার মানুষকে বের করে আনতে হবে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করে।

সাপ্তাহিক সুরমা সম্পাদক শামসুল আলম লিটন বলেন, গুমের মত মানবতাবিরোধী অপরাধ বাংলাদেশের পাশাপাশি অন্যান্য ফ্যাসিবাদী সরকারের দেশ গুলোতেও ঘটছে। দেশে দেশে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ সংগ্রামকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য তিনি মানবাধিকার গ্রুপগুলোতে আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ওলিউল্লাহ নোমান ব্রিটিশ সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অনুসরণসহ গুমের মত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী সকল কর্মকর্তার ব্রিটেন সফরে নিষেধাজ্ঞা জারির জোর দাবি জানান।

জাতিসংঘের বিক্ষোভে আয়না ঘর গুড়িয়ে দেবার দাবি

বাংলাদেশে গুমের শিকার ব্যক্তিদের আটক এবং নির্যাতনের টর্চার সেল আয়না ঘর গুড়িয়ে দিতে হবে। গুম হওয়া স্বজনদের অবিলম্বে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। বাংলাদেশে গুম তদন্তে জাতিসংঘকে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে।

৩০ আগস্ট নিউইয়র্কে জাতিসংঘ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

আমেরিকান কনসার্নড সিটিজেন এর ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা । আর তাতে অংশ নেয় কোয়ালিশন ফর হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ, হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেভেলপমেন্ট ফর বাংলাদেশ, সাউথ এশিয়ান পলিশি ইনিশিয়েটিভ এবং মায়ের ডাক। এছাড়াও বিক্ষোভে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষজন অংশ নেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিএইচ আরডি বাংলাদেশের সেক্রেটারি ইমরান আনসারী, সিএইচ আরডি বাংলাদেশের বোর্ড মেম্বার রীটা রহমান, বিশিষ্ট লেখিকা ডা. মিনা ফারাহ এইচআরডিবি এর পক্ষে বক্তব্য রাখেন মাহতাব উদ্দিন আহম্মেদ,, সাংবাদিক এমদাদ দিপু প্রমূখ।

এসময় গুম হওয়া স্বজনদেরপরিবারের সদস্যদের দেয়া বক্তব্যে ভারি হয়ে উঠে চারপাশ। এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

গুম হওয়া ব্যারিষ্টার আরমানের পরিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ভিকটিমের চাচা মীর মাসুম আলী। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন মাহবুব হোসেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে বাংলাদেশে গুম, খুন বন্ধ করতে হবে এবং গুম হওয়া স্বজনদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। গুম তদন্তে জাতিসংঘকে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে।

এসময় সমাবেশ থেকে দাবী উঠে অবিলম্বে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত আয়না ঘর গুড়িয়ে দিতে হবে।

সমাবেশ শেষে সিএইচ আরডি বাংলাদেশ এর পক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব বরাবর একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়।

জাতিসংঘের এ ক্ষোভে সংহতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠন । এসময় উপস্থিত ছিলেন মিজানুর রহমান মিল্টন ভূইয়া, জসীম ভূইয়া , মাওলানা অলি উল্লাহ আতিকুর রহমান, হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, আহবাব চেধুরী খোকন এবং গোলাম ফারুক শাহীন প্রমূখ।

গুমে জড়িতদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবি অস্ট্রেলিয়ায়

অস্ট্রেলিয়ান সংসদের উচ্চ কক্ষের সদস্য এবং গ্রিনস পার্টির নেতা সিনেটর ডেভিড শুব্রিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় ম্যাগনিটস্কি আইন বাস্তবায়ন হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের যেসব অপরাধী গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত, অস্ট্রেলিয়ায় তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

সাউথ এশিয়ান পলিসি ইনিশিয়েটিভ এবং গ্লোবাল ভয়েস ফর হিউম্যানিটি এর উদ্যেগে অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিক্ষোভে তিনি এসব কথা বলেন।

গুম-বিরোধী এই বিক্ষোভ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের সামাজিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ, মানবাধিকার কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সাউথ এশিয়ান পলিসি ইনিশিয়েটিভের সেক্রেটারি শিবলী আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে গুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি, শ্রীলঙ্কার তামিল প্রতিনিধি, আরাকানের রোহিঙ্গা প্রতিনিধি, ইন্দোনেশিয়ার ওয়েস্ট পাপুয়ান প্রতিনিধি, ভারতের কাশ্মিরী ও শিখ প্রতিনিধি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং জামায়াতের প্রতিনিধিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি নাদিনা ডিক্সন এবং আঙ্কেল ডেভ বেল আদিবাসীদের কথা স্মরণের মাধ্যমে সমাবেশের উদ্বোধন করেন।

সিনেটর ডেভিড শুব্রিজ বলেন, আমরা যে মাটিতে দাঁড়িয়ে কথা বলছি একদিন এখানেই আদিবাসীদের বিরুদ্ধে গুম, খুন, অন্যায় গ্রেফতারের মতো সহিংস অপরাধ সংঘটিত হয়েছিলো। আজ আমরা সেই ঐতিহাসিক অপরাধের প্রতিকার করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অপহরণ করে গুম করার এই মানবতাবিরোধী অপরাধ এখনো পৃথিবীর অনেক দেশে ঘটে চলছে।

তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কার কোনো রাস্তায় সাদা ভ্যানে, অথবা ওয়েস্ট পাপুয়ার কোনো গ্রামে মিলিটারির হাতে অথবা বাংলাদেশের খুনী বাহিনী র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ান কর্তৃক যে গুমের ঘটনা এখনো ঘটে চলেছে, সবগুলো অপরাধের প্রকৃতি একই। এই অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অস্ট্রেলিয়ান সরকারকে আরো কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে। পুরো পৃথিবীর মানুষ এই গুমের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ান সরকার যদি এখনো চুপ করে থাকে তাহলে তা হবে অদূরদর্শী এক সিদ্ধান্ত।

অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন সিনেটর লী রিয়ানন তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সরকার গুমের মতো যে মানবতাবিরোধী অপরাধ করে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন বাস্তবায়ন করার জন্য সবাইকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করতে হবে।

এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি ভেরোনিকা কোমান বলেন, সমাজে ভয়ের সংস্কৃতি ছড়ানোর জন্য গুমের মতো জঘন্য অপরাধকে বিভিন্ন দেশে কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তার সম্পর্কে আমরা সচেতন। এই জঘন্য অপরাধটি একটি সমাজকে ধ্বংস করে দেয়।

শ্রীলঙ্কার তামিল সংগঠনের প্রতিনিধি রেনুগা ইনপাকুমার তার দেশে তামিল জনসংখ্যার উপর চালানো সরকারী নির্যাতনের হৃদয়স্পর্শী বর্ণনা করে বলেন, বাংলাদেশের পর বর্তমান পৃথিবীতে গুমের সংখ্যায় শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে আছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান এই জঘন্য অপরাধ পুরো পৃথিবীর মানুষদের জন্যই লজ্জাস্কর।

ভারতের শিখ কৃষক সংগঠনের উপর চলমান রাষ্ট্রীয় গুম-খুনের কথা বলেন আমর সিং, কাশ্মীরিদের উপর চলমান নির্যাতনের মর্মস্পর্শী বর্ণনা দেন আনজুম রফিকী, ওয়েস্ট পাপুয়ান নির্যাতিতদের কথা বলেন জো কলিন্স, আরকানের রোহিঙ্গাদের কথা বলেন মোহাম্মদ রউফ।

সমাবেশে বাংলাদেশে সরকারী বাহিনী কর্তৃক গুমের শিকার মানুষদের ও তাদের স্বজনদের কথা তুলে ধরেন বিএনপি নেতা মুসলেহউদ্দিন আরিফ এবং জামায়াতের প্রতিনিধি ফারুক হোসাইন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ