বাল্যবিয়ের অভিযোগে কাজী ও কনের বাবা আটক - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৯:২০, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বাল্যবিয়ের অভিযোগে কাজী ও কনের বাবা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২২ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২২ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ

 

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বাল্যবিয়ের ঘটনায় কনের বাবা রাসেল চৌধুরী (৪৩) ও কাজী সাকিব আহমেদকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বুধবার বিকালে মোহনগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুমানা রহমান বাদী হয়ে আটক দুজনসহ বর মাহমুদুল হাসান (২৩) ও বরের বড় ভাই মাহবুব হাসানকে (৪০) আসামি করে মামলা দাযের করেছেন। পরে আটক দুজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

অভিযোগে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বরতলী বানিহারি ইউনিয়নের বরুংকা গ্রামের রাসেল চৌধুরী তার অপ্রাপ্ত কন্যাকে মোহনগঞ্জ পৌরসভাধীন উত্তর দৌলতপুর গ্রামের মাওলানা শহীদ মিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসানের সাথে বিয়ে দেন। অপ্রাপ্ত বয়স্ক কন্যাকে বিয়ে দেয়ার খবর কনের এলাকার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. সোহাগ তালুকদারসহ অপর একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান।
এরপর নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে পুলিশসহ উপজেলা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ইউপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হলে বাল্যবিবাহের সত্যতা মিলে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে কনের বাবা ও কাজীকে আটক করা হয়। এরপর বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিতে মামলা করা হয়।

মামলায় কনের বাবাকে প্রধান আসামি, কাজীকে ২ নম্বর ও বরকে ৩ নম্বর এবং বরের ভাইকে ৪ নম্বর আসামি করে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মামলা দায়ের করেছেন বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী রুমানা রহমান। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পেয়েছি। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে বরতলী বানিহারি ইউপি চেয়ারম্যান মো. সোহাগ তালুকদার জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এরপর কনের বাবাকে জিজ্ঞাসা করলে বিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার করেন। এরপর কাজী প্রথমে স্বীকার করে বিয়ে নিবন্ধন করেছেন। পরে কর্মকর্তারা গেলে আবার অস্বীকার করেছেন তিনি বিয়ে পড়াননি। এমন ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রাতে এসিল্যান্ড ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখান থেকেই দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মোট চারজন আসাসি। অন্য দুজনকে পাওয়া যায়নি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ