ভোট চুরির সুযোগ করে দিতেই সিসি ক্যামেরা নেই : হিরো আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ ৮:২৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ ৮:২৯ অপরাহ্ণ

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের উপনির্বাচনে জোরেসোরে প্রচারে নেমেছেন আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। একতারা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারে ভোটের মাঠে ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। আজ রোববারও কাহালু উপজেলায় প্রচার চালিয়েছেন তিনি।
গণসংযোগকালে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য শুরু থেকেই আমার দাবি ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ভোট চুরির সুযোগ করে দিতেই কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আগ্রহ নেই।’ তার অভিযোগ, ভোটের দিন কাছে আসায় অনেক প্রার্থী মাঠে প্রভাব বিস্তার করতে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে কালো টাকা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন।
হিরো আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘শেষ মুহূর্তে প্রচুর কালো টাকা ছড়ানোর শঙ্কায় আছি। কালো টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার চেষ্টা চলছে, কালো টাকার কাছে মানুষের সমর্থন পরাজিত হলে গণতন্ত্রের পরাজয় হবে। এর দায় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।’
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে হিরো আলম একতারা প্রতীকে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষের সেবা করার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য আমি এই নির্বাচনে লড়াই করছি। আমার কোনো কালো টাকা নেই, আছে লাখো মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসা।
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে টাকা ঢাললে সভা-সমাবেশে লোক ভাড়া করে আনা, মোটরসাইকেল শোডাউন করা সবই সম্ভব। কিন্তু লোক দেখিয়ে, শোডাউন করে ভোটারের সমর্থন পাওয়া যাবে না। ভোটাররা মার্কা দেখে ভোট দেবেন না, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা দেখে ভোট দেবেন। মাত্র কয়েক দিনে প্রচার চালিয়ে দুই নির্বাচনী এলাকা মাতিয়ে রেখেছি। মানুষের মুখে মুখে এখন হিরো আলমের নাম। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।’
হিরো আলম বলেন, ‘প্রতিটি গ্রামে আমার কর্মীরা সতর্ক আছেন। টাকা ছড়ানোর ভিডিও ও ছবি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। প্রমাণ পেলে তা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।’
জনতার আওয়াজ/আ আ