ভোটের আগে ‘নৌকা’ নূহ নবির, পরে শ্রীকৃষ্ণের - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৩৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ভোটের আগে ‘নৌকা’ নূহ নবির, পরে শ্রীকৃষ্ণের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৩ ২:৩৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৩ ২:৩৪ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সিলেটে নির্বাচনী জনসভায় নৌকা নূহ নবিকে ‘রক্ষার বাহন’ বলে যে মন্তব্য করেছেন তার জবাবে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, ভোটের আগে নৌকা হয় ‘নূহ নবির’ আর ভোটের পরে আওয়ামী লীগের নৌকা হয়ে যায় শ্রীকৃষ্ণের। আজীবন তারা মন্দিরে গিয়ে নৌকাকে শ্রীকৃষ্ণের বাহন বলেছে, এখন মাজারে গিয়ে নূহ নবিকে রক্ষার বাহন বলে প্রচারণা চালাচ্ছে। সত্যিই আওয়ামী লীগ একটি জোকার রাজনৈতিক দল। ভোট আসলেই আওয়ামী লীগ মুসলিম-হিন্দুদের ভোট পাওয়ার কৌশল খুঁজে।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে সরকারের পদত্যাগসহ এক দফা দাবিতে রাজধানীর পল্টন, প্রেসক্লাব এলাকায় গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণকালে নেতারা এসব কথা বলেন।

এ সময় বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আওয়ামী লীগের বাঁচার এখন একমাত্র পথ পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। এছাড়া সরকারের বাঁচার কোন রাস্তা নেই। বাংলাদেশের জনগণ এই সরকারের উপর আর বিন্দুমাত্র আস্থা রাখতে পারছে না। দেশের অর্থনীতি ও জনগণের জীবন-জীবিকা সরকার ধ্বংস করেছে। তারা এখন মুক্তি চায়।

জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য নওয়াব আলী আব্বাস খান বলেন, অবৈধ প্রধানমন্ত্রী এখন দেশে-বিদেশে অকেজো সরকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। শীঘ্রই জনগণ সরকার পতনের গ্যারান্টি কার্ড আওয়ামী লীগের হাতে ধরিয়ে দিবে। ভালোই ভালোই পদত্যাগ করুন অন্যথায় অনেক বেদনা নিয়ে বিদায় নিতে হবে।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও ১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক রাশেদ প্রধান বলেন, এই আওয়ামী লীগ মন্দিরে গিয়ে কপালে তিলক লাগায় আর মুসলমানদের দাঁড়ি ধরে টেনে কারাগারে পাঠায় এবং ভোটের আগে নবি-রাসূলের বয়ান চালায়। তাদের মনে রাখা ভালো শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। কারাগারে আলেম-ওলামারা মুক্তি এখনো পায়নি। ইনশাআল্লাহ্, সব হিসেব নেওয়ার সময় এসে গেছে। প্রতিশোধ জনগণ সময় মতোই নিবে।

বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আহাদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দীন পারভেজ।

জাতীয় পার্টির হান্নান আহমেদ বাবলু, বাংলাদেশ এলডিপির এম এ বাশার, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী এম এ কাশেম ইসলামাবাদী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির শরীফুল ইসলাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির আবু মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশ জাতীয় দলের আবু মনসুর ভুইয়া, যুব জাগপার মনোয়ার হোসেন, এলডিপি যুবদলের ফয়সাল আহমেদ, ছাত্র সমাজের কাজী ফয়েজ আহমেদ, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের নিজাম উদ্দিন আল আদনান প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ