যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পর্যালোচনা হচ্ছে: প্রেসসচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩, ২০২৫ ১:৫৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩, ২০২৫ ১:৫৪ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এ শুল্ক আরোপের পর বাংলাদেশের আমদানি করা মার্কিন পণ্যের শুল্কহার পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) প্রেস সচিবের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর প্রযোজ্য শুল্কহার পর্যালোচনা করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুত শুল্ক যৌক্তিকীকরণের জন্য সম্ভাব্য বিকল্পগুলো খুঁজে বের করবে, যা এ বিষয়ে কার্যকর সমাধানের জন্য জরুরি।
তিনি আরও লিখেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করে আসছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জানা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নতুন ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নীতির অংশ হিসেবে শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় ৩৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের মুখোমুখি হবে।
এত দিন বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার ছিল গড়ে ১৫ শতাংশ, যা এখন দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেল। নতুন করে সম্পূরক শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বড় ধাক্কা খেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের ভাষ্য, মার্কিন রপ্তানিপণ্যের ক্ষেত্রে যেসব দেশ উচ্চ শুল্কের বাধা তুলে রেখেছে, তাদের তথাকথিত সেই ‘অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন’ মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন পদক্ষেপ।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৪০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, যার মধ্যে তৈরি পোশাকের পারিমাণ ৭৩৪ কোটি ডলার।
জনতার আওয়াজ/আ আ