শুক্রবার শাহবাগ চত্বরে সিপিবির লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হবে - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:৩৪, শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

শুক্রবার শাহবাগ চত্বরে সিপিবির লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৩ ৯:৪০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৩ ৯:৪০ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

পল্টন হত্যাকাণ্ডের ২২তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) আহ্বানে ঢাকার শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সমাবেশ-পরবর্তী লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী শুক্রবার।

সমাবেশে অন্যান্য দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে, দুর্নীতি-দুঃশাসন রুখে দাঁড়ানো, ব্যবস্থা বদলানো, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন, নিত্যপণ্যের দাম কমানো ও মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। সমাবেশ শেষে লাল পতাকা মিছিল শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হবে।

এ ছাড়াও পল্টনে শহীদদের স্মরণে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তি ভবনের সামনে শহীদ স্মরণে নির্মিত অস্থায়ী বেদীতে শ্রদ্ধা জানানো হবে। কর্মসূচিতে দেশের বাম প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসমূহ অংশগ্রহণ করবে।

দলের নেতারা বলেন, কমিউনিস্ট পার্টিকে ধ্বংস করতে এবং মেহনতি মানুষের সংগ্রামকে বাধাগ্রস্ত করতে এ ধরনের হামলা বারবার চালানো হয়েছে। কিন্তু নানা বাধাবিপত্তি অতিক্রম করেও কমিউনিস্ট পার্টি দেশের মানুষের স্বার্থে শোষণ-বৈষম্য-দুর্নীতিমুক্ত-অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়তে, দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ, সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লড়াই-সংগ্রাম দৃঢ়ভাবে অব্যাহত রেখেছে।

সেই সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, দেশের বাম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল ছাত্র-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। এই সমাবেশ লুটেরা প্রতিক্রিয়াশীল সাম্রাজবাদী-মৌলবাদী শক্তির জন্য হুমকিস্বরূপ গণমানুষের শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। এ কারণেই প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতক চক্র এই লড়াইকে অবদমিত করার জন্য বোমা হামলা চালায়।

এ হামলায় সিপিবি খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার নেতা কমরেড হিমাংশু মণ্ডল, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার নেতা ও দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির শ্রমিক নেতা কমরেড আব্দুল মজিদ, ঢাকার ডেমরা থানার লতিফ বাওয়ানি জুট মিলের শ্রমিক নেতা কমরেড আবুল হাসেম ও মাদারীপুরের কমরেড মোক্তার হোসেন ঘটনাস্থলেই এবং খুলনা বিএল কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন নেতা কমরেড বিপ্রদাস রায় আহত হয়ে ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ওই বছরেই ২ ফেব্রুয়ারি শহীদের মৃত্যুবরণ করেন।

বোমা হামলায় শতাধিক কমরেড আহত হন। যাদের মধ্যে অনেকে এখনো পঙ্গু জীবনযাপন করছেন। এ হামলা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি বর্বরোচিত ও কলঙ্কিত ঘটনা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ