সময় সন্নিকটে, যেকোনো সময় গণেশ উল্টে যেতে পারে: দুদু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৪৮, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সময় সন্নিকটে, যেকোনো সময় গণেশ উল্টে যেতে পারে: দুদু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জুন ৫, ২০২৪ ১০:১১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জুন ৫, ২০২৪ ১০:১১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

সময় সন্নিকটে, যেকোনো সময় গণেশ উল্টে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

তিনি বলেন, ‘সময় সন্নিকটে, কারণ আওয়ামী লীগ সরকার চোরদের দিয়ে সুবিধা নিয়েছে।গত ৫২ বছরে আগে কখনও সেনাপ্রধানকে এরকম অপমান হতে হয় নাই,শেখ হাসিনার সময় এটা হয়েছে। সময় সন্নিকটে যেকোনো সময় গণেশ উল্টে যেতে পারে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দুদু বলেন, ‘নিজেদের বিবাদ করা যাবে না। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকতে হবে। ১৫ থেকে ১৭ বছর কষ্ট করেছেন শেষ সময়ে কেন ঝামেলা করবো সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বুধবার (৫ জুন) বরিশালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল বিভাগ বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দুদু বলেন, আজ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মরণ সভা। এই সভা যারা বিঘ্ন ঘটাতে চায় তারা স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতিকে বিশ্বাস করে না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষণা দিতেন তাহলে শহীদ জিয়াকে ঘোষণা দেওয়া লাগতো না। জাতি প্রত্যাশা করেছিল তিনি (শেখ মুজিবুর রহমান) স্বাধীনতার ঘোষণা দিবেন। তিনি দেন নাই একটা শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল। তাজউদ্দিন আহমেদ তাকে অনুরোধ করেছিলেন একটা বইয়ে উল্লেখ আছে। আমি কাউকে ছোট বা বড় করতে চাই না। আমাকে যদি কোথাও বক্তব্য দেওয়ার জন্য ডাকা হয় আমি যদি না যাই তাহলে আমার জায়গায় অন্য কেউ বক্তব্য দিবে সে যদি আমার চেয়ে ভালো বক্তব্য দেয় তাহলে সেই দোষ তার না। সেই সময় দেশে একটা শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল। ২৫,২৬-২৭ মার্চ শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। সেই শূন্যতায় একজন নেতা তৈরি হয়েছিল তার নাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা যাবে না। এই সত্যটা তারা বুঝতে চায় না। যারা তার বিরুদ্ধে বলে তারা কেউ মুক্তিযোদ্ধা না। তারা মুক্তিযুদ্ধ করে নাই। তাদের নাম খতিয়ান দেখবেন কেউ মুক্তিযোদ্ধা করে নাই। কারো কারো বয়সই হয় নাই। তারা আজেবাজে কথা বলে।

দুদু হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘এখানে দাঁড়িয়ে বলে যাই, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে স্বাধীনতার ঘোষক এর বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য তাদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। সে যত বড়ই নেতা হোক না কেন তাদেরকে তৈরি থাকতে হবে। কারণ জিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলা মানে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলা। জিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলা মানে মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে কথা বলা। জিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই শহীদদের বিরুদ্ধে কথা বলা। জিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলা। এটা যদি আমরা ছেড়ে দেই তাহলে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ছোট করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিদেশে। দেশে ফিরতে দিচ্ছে না সরকার। হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলে। আপনারা যে সাহসটা দেখিয়েছেন এটাকে রাস্তায় নিয়ে যেতে হবে তাহলে আমি বিশ্বাস করি এ সরকার টিকে থাকতে পারবে না।

আলোচনা সভায় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম,যুগ্ম-মহাসচিব মুজিবুর রহমান সরোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বক্তব্য রাখেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ