সমাবেশে জনস্রোত ঠেকানোর শক্তি সরকারের নেই: নজরুল ইসলাম খান - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:২০, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সমাবেশে জনস্রোত ঠেকানোর শক্তি সরকারের নেই: নজরুল ইসলাম খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, অক্টোবর ২১, ২০২২ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, অক্টোবর ২১, ২০২২ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, জনসভায় যারা অংশগ্রহন করছে তারা সভায় বিএনপির নয়, সাধারণ মানুষ জনসভায় অংশ নিচ্ছে। আন্দোলনে যখন সাধারণ জনগণ যুক্ত হয় তখন আন্দোলন বেগমান হয়, বিজয় ত্বরাণিত হয়। সমাবেশে জনগণের যে স্রোত সৃষ্টি হয়েছে তা ঠেকানোর শক্তি সরকারের নেই।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মানব সেবা সংঘ’ আয়োজিত ‘মুক্তির পঙক্তিমালা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, খুব দ্রুত আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশটাকে রক্ষা করতে হবে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। না হলে দেশটাকে রক্ষা করা যাবে না।

বিএনপি এই নেতা বলেন, খুলনায় জনসভায় গাড়ি ঘোড়া সব বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। প্রাইভেটকার চলতে দেয়া হচ্ছে না। মোবাইল পরীক্ষা করে বিএনপির কর্মীদের আটক করা হচ্ছে। এরপরে মানুষ দলে দলে সমাবেশে যাচ্ছে। ময়মনসিংহে একদিন আগে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়ার পরেও জনসমুদ্র তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রামে লক্ষ মানুষের জমায়েত হয়েছে। এ ভয়ে তারা খুলনায় আগাম দুইদিন আগে বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর সিলেটের সমাবেশের চারদিন আগে পরিবহন বন্ধ করে দিবেন।

এ সময় তিনি আওয়ামীলীগ নেতা ও শ্রমিকনেতাদের প্রশ্ন করে বলেন, বিএনপির দশটা জনসভা হবে। কয়দিন পরিবহন বন্ধ করবেন। আগে আওয়ামী লীগের নেতারা বলত বিএনপির সমাবেশে লোক নেই। কিন্তু এখন আর বলে না বিএনপির লোক নাই। ভয় পেয়ে গেছে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ১৯৭৫ সালে সব দল বাতিল করে বাকশাল কায়েম করে গণতন্ত্রকে জবাই করা হয়। সেই জবাইকৃত গণতন্ত্রকে প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮২ সালের স্বৈরাচারীকে হটিয়ে নয় বছর আন্দোলন করে খালেদা গণতন্ত্রকে উদ্ধার করেন। আবার গণতন্ত্রকে জবাই করা হয়েছে। এবার তারেক রহমানের হাত ধরে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আসবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড.আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, দেশের যে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদ তা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবরণ করতে হয়েছে। ফ্যাসিবাদী আর স্বৈরাচারী সরকার তাদের ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করতে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ পর্যন্ত দেন নাই।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের জনসমর্থন আজ তলানিতে। তাই তারা রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে বিরোধী দলের সমাবেশ পণ্ড করার চেষ্টা করছে। সিএনজি বাস ট্রাক যত ধরনের পরিবহন আছে সব বন্ধ করে দিয়েছে। এরপরেও মানুষ ট্রেন বোঝায় করে আজকে সমাবেশে যাচ্ছে। ট্রেনে মানুষ থইথই করছে। সরকার মানুষ আটকানোর জন্য বেড়াজাল সৃষ্টি করেছে। আর সাধারণ মানুষ সরকারের বেড়াজাল ছিন্ন করে সমাবেশে যাচ্ছে। খুলনাসহ সব জায়গায় মানুষ উপছে পরবে। সাধারন মানুষের এ জোয়ার দেখে সরকারের নেতারা ভয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে আত্মচিৎকার করছেন।

তিনি বলেন, তারা এত তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছেন আমাদের লোক হয় না। কিন্তু পথে পথে বাঁধা দিচ্ছেন। শ্রমিক সংগঠন, শ্রমিক নেতা সবাই আওয়ামী লীগের। শাহাজাহান খানের মত শ্রমিক নেতারা জমিদারী শাসন নাৎসী শাসন কায়েম করে প্রতিপক্ষের অধিকার স্বীকার করে না। তারা মনে করেন প্রতিপক্ষ মানে হত্যা করতে হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ