সরকার প্রতারণার কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে: মান্না - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৪৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সরকার প্রতারণার কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৫ ৯:২৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৫ ৯:২৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

একটা প্রতারণার কাঠগড়ায় এই সরকার দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতা ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মান্না বলেন, “ড. ইউনুস দুনিয়াব্যাপী পরিচিত। তিনি ভালো একজন পারফরমার। কিন্তু বাংলাদেশে এসে দেখা গেল, তিনি কিছুই করতে পারলেন না। পুরো দেশ এখন জটিলতার মধ্যে গেছে। মনে হচ্ছে একটা অচল অবস্থা তৈরি হয়েছে। কয়েক দিন আগে বিএনপি বলেছে ঐকমত্য কমিশন প্রতারণা করেছে। আবার এনসিপিও বলেছে সরকার নাকি তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। একটা প্রতারণার কাঠগড়ায় এই সরকার দাঁড়িয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সংস্কারের যে আট মাস ধরে আলাপ-আলোচনা চলল, তার পর সংস্কার এখন কোথায় আছে? আমি যদি বলি— ‘এটা যে লাউ সেই কদু’, কোনো পরিবর্তন হয়নি। যে ঐকমত্যের কথা বলা হয়েছে, সেই ঐকমত্যের কিছুই হয়নি।”

এ সময় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী বলেন, “আশা করব সরকার কোনো একটি বিশেষ দলের দিকে ঝুঁকে পড়বে না। গতকাল জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেছেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পিছিয়ে গেলে অসুবিধা নেই। তাদের গণভোট আগে হতেই হবে। কিন্তু গণভোট আগে হওয়া আর গণভোট জাতীয় নির্বাচনের দিনে, একই দিনে হওয়ার মধ্যে কোনো রাজনৈতিক তাৎপর্যগত পার্থক্য নেই। আমরা গণভোটের মাধ্যমে যা কিছু অর্জন করতে চাই, সেটা আগে হলেও জাতীয় নির্বাচনের দিনে হলেও একই জিনিস অর্জন করব।”

তিনি বলেন, “কেবল আমার রাজনৈতিক প্রস্তাব গৃহীত হলো, আমরা যা বললাম তাই হলো। এরকম একটি অবস্থান থেকে গণভোটের বিষয় নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হচ্ছে, এটা করা কোনোভাবেই ঠিক হবে না। যারা এটা করছেন, বোঝা যাচ্ছে মূল বিষয়টি দাঁড়াচ্ছে যে হয় নির্বাচনকে পেছাতে হবে, অথবা পরিস্থিতির মধ্যে কোনো জটিলতা আরও গভীর করতে হবে, অথবা বার্গেনিং করতে হবে।”

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে দায়িত্ব আমাদের আছে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক উত্তরণ করার, এই জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে যেন আমরা বার্গেনিং না করি। বার্গেনিং করে আমরা যেন ক্ষমতার অংশীদারত্ব না চাই। এটা রক্তের ঋণের দায় বহন করা। এটাকে আমরা রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেন পরিণত না করি। সেটা আমাদের কারও জন্যই ভালো নয়।”

এ সময় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ