সরকার বা আদালত নয়, আ'লীগ নিষিদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ: ডা. জাহিদ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৫২, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সরকার বা আদালত নয়, আ’লীগ নিষিদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ: ডা. জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, অক্টোবর ১, ২০২৫ ৩:২৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, অক্টোবর ১, ২০২৫ ৩:২৬ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ যেকোনো সময় রাজনীতিতে সচল হতে পারে প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে নতুন করে প্রশ্নবোধক চিহ্নের তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে বিষয় আইন-আদালত বা সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, এই সিদ্ধান্ত নেবে দেশের জনগণ। গণহত্যাকারী, গুম-খুনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজহার শফিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের বিচারের জন্য সোচ্চার। গণহত্যাকারী যারা আদেশ দিযেছে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হোক আর অতি উৎসাহী যেই হোক। বিএনপি বারবার বলেছে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ। আইন আদালত করবে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত, বিএনপির বক্তব্য পরিষ্কার। সবসময়েই তা বলে এসেছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত কথা বলে কিন্তু তাদের ২৪-এর গণহত্যা নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই। আয়নাঘর, লুটপাট যারা করেছে, প্রতিহিংসাপরায়ণ যারা করেছে, দিনের ভোট রাতে করেছে তাদের কোনো অনুশোচনা আছে? তাদের বিচার করতে হবে। আওয়ামী লীগকে নিঃশর্তভাবে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, তাদেরকে ক্ষমা করা হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে।

শেখ হাসিনার উদ্দেশে ডা. জাহিদ বলেন, বিএনপি ও গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলনকারী শক্তির যে ঐক্য হয়েছিলো, যদি তারা ভয়ে ভীত হতো তবে শেখ হাসিনা পালাতেন না। সত্যিকার রাজনীতিবিদ হলে তিনি মাঠের রাজনীতি করতেন, হয়তো জেলে যেতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি যা করেছেন, সেটা অন্যায় করেছেন।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের একটি সম্ভাবনা রয়েছে, আমরা চাই সেটা হোক। জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেনি। নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের সেই সুযোগটা আসুক।

তিনি আরো বলেন, আমাদের ভাবতে হবে, এই সমাজটা আমাদের সবার। এই ভাবনাটা যদি না আসে তাহলে কিন্তু ইনক্লুসিভনেস তৈরি হবে না। আর তা তৈরি না হলে সমাজে সাস্টেনেবিলিটি আসবে না। সমাজের প্রবীণ মানুষদের জন্য আলাদা উইন্ডো তৈরি করার জন্য একটা চিন্তা দরকার। তাদের জন্য সামান্য বাজেট রাখা দরকার। প্রবীণরা যেন সমাজের বোঝা না হয়, সেই বিষয়ে আমাদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। তারা যেন সম্মানের সাথে সমাজে বসবাস করতে পারে, সে বিষয়ে সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফর বাংলাদেশ মোহাম্মদ মশিহুর রহমান, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, আজহার শফিক ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ