সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৯:০১, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৩ ১০:১৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৩ ১০:১৫ অপরাহ্ণ

 

খুলনা প্রতিনিধি

আসন্ন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলের কেউ অংশগ্রহণ করলে বা কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সেই সকল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহানগর বিএনপি।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় খুলনা মহানগর বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভায় দীর্ঘ আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে দল কোন নির্বাচনে যাবে না–কেন্দ্রীয় কমিটির এমন সিদ্ধান্তে এ ঘোষণা দেয় মহানগর শাখা। একই সাথে দলটি আগামী ৮. ৯. ১০ ও ১১ মে’২৩ মহানগরীর খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা থানা, দৌলতপুর থানা ও খানজাহান আলী থানা বিএনপির সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করে।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ‘আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ধরে রাখার দুরভিসন্ধি জাতীয় রাজনীতিতে বিপজ্জনক অস্থিরতার জন্ম দিচ্ছে। ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক ধ্বংস করায় বড় ধরনের খেসারত দিতে হবে সরকারকে। কোনো দেন-দরবার নয়, কোনো আলোচনা নয়। সরকারকে অপসারণ করতে হবে, পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে। সরকারের দুঃশাসনে দেশের জনগণ আজ অতিষ্ট। সরকার দেশের বাকস্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ সরকারকে মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এদের যত তাড়াতাড়ি বিদায় করা যাবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল হবে।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন যত বাড়বে প্রতিবাদের গতি ততই তীব্র হবে। সরকার বুঝতে পেরেছে তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে। সেজন্যই তারা বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মরণকামড় দিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোনো ধরণের মামলা ছাড়া নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশির নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। এভাবে আর চলতে দেয়া যায় না।’

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় নির্বাহী কমিটির এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা থেকে সৈয়দা রেহেনা ঈসাকে আহ্বায়ক করে অ্যাড. নুরুল হাসান রুবা ও অ্যাড. মাসুম রশিদকে সদস্য করে তিন সদস্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। নির্বাচন কমিশন আজ (৩০ এপ্রিল) থেকে দলীয় কার্যালয়ে থানার সম্মেলন সম্পন্ন করতে কর্মকাণ্ড শুরু করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, কাজী মো. রাশেদ, স ম আ. রহমান, সৈয়দা রেহেনা ইসা, শের আলম সান্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, মাহাবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদি, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, সদস্য ফকরুল আলম, জালাল শরিফ, আ. রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, আশফাকুর রহমান কাকন, ওয়াহিদুর রহমান দিপু, বেগ তানভিরুল আজম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, রুবায়েত হোসেন বাবু, মুরশিদ কামাল, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, অ্যাডভোকেট মাসুম রশিদ, কে এম হুমায়ূন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার, একরামুল কবির মিল্টন, জহর মীর, নাজির উদ্দিন নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আহসান উল্লাহ বুলবুল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, শেখ জামাল উদ্দিন, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, গাজী আফসার উদ্দিন, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আনসার আলী, নাসির খান, আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, আব্দুর রহমান ডিনো, তারিকুল ইসলাম, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মো. জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস , ফারুক হোসেন, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা।

সভা থেকে খুলনা জেলা কারাগারে আটক কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খানসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি জানানো হয়। সভা থেকে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। সভা থেকে বিগত আন্দোলন সংগ্রামের নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও সকল আহত এবং অসুস্থ সকল নেতাকর্মীদের সুস্থতা কামনা করা হয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ