সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে ভারত : মুক্তিযোদ্ধা দল - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:২৯, সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে ভারত : মুক্তিযোদ্ধা দল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
বাংলাদেশের সীমান্তে হতদরিদ্র নিরীহ ভারতীয়দের ‘পুশ ইন’ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। সংগঠনটি বলছে, বিভিন্ন কৌশলে ‘পুশ ইন’ এর নামে নিজ দেশের নাগরিকদের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে নজীরবিহীন নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে ভারত। এই ধরণের কর্মকাণ্ড দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ জানিয়েছে তারা।

রোববার (১৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করতে এসে ৭৮ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন হঠাৎ স্ট্রোক করে মারা যান। এসময় উনার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

ভারতকে সতর্ক করে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক হতে হবে। দেশের সম্মান ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব হবে। সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলছে এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা বাংলাদেশের মানুষ স্বীকার করে বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ যদি দীর্ঘদিন থাকতে চায়, তাহলে তাকে বিদায় করার উপায়ও এ দেশের মানুষ জানে। ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও রাশিয়া টিকে থাকতে পারেনি।

ভারতের উদ্দেশে সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, হতদরিদ্র নিরীহ ভারতীয়দের ‘পুশ ইন’ বন্ধ করুন। খুনি হাসিনাসহ ভারতে পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্ট দুষ্কৃতিকারীদের পুশ আউট করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান। তাদের বিচারের সম্মুখীন করার জন্য সহযোগিতা করুন। জাতীয় হীনকর্মকাণ্ড পরিহার করে বাংলাদেশ সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সুসম্পর্ক রক্ষার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণফ্রন্টের সভাপতি কমরেড টিপু বিশ্বাস, বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) জয়নাল আবেদীন, সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, উপজাতি বিষয়ক সহ-সম্পাদক কর্নেল (অব.) মনিষ দেওয়ান, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ, ভাষানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবলু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি মোবারক হোসেন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সাধারণ সম্পাদক ড. কে এম আই মন্টি প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ