স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসের ইতিহাস সংরক্ষণে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৩ ৭:১৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৩ ৭:১৬ অপরাহ্ণ

স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নব্বইয়ে যে গণ-আন্দোলন গড়ে উঠেছিল তার সূত্রপাত ঘটে ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিরোধ সংগ্রামের মাধ্যমে। জাফর, জয়নাল, দীপালী ও কাঞ্চনের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসন হটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রাম শুরু হয়। তাই স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসের ইতিহাস সংরক্ষণে উদ্যোগী হতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্র মুক্তির ডাক দিয়ে যায়, মধ্য-ফেব্রুয়ারির স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আলোচনাসভার আয়োজন করে ’৮২-৯০’র স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।
স্বৈরাচার প্রতিরোধ আন্দোলনের তৎকালীন নেতা ঐক্য ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুল্লাহ তারেক বলেন, ‘এরশাদ কর্তৃক সামরিক শাসন জারির পরপরই স্বৈরাচার প্রতিরোধ আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম শুরু হয়। ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের মাধ্যমেই এ আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। বর্তমান ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটে ১৪ ফেব্রুয়ারির গুরুত্ব অপরিসীম। এ আন্দোলনে অংশ নেওয়া সবাইকে স্বৈরাচার প্রতিরোধ আন্দোলনের মূল্যবোধ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে।’
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের তৎকালীন নেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য শফী আহমেদ বলেন, ‘মজিদ খানের গণবিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল, সব ছাত্র ও রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তিদান ও সামরিক শাসন প্রত্যাহার করে গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা সব ছাত্রসংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম। সে ঐক্য ছিল মুক্তিযুদ্ধ ও প্রগতিশীল আদর্শের ঐক্য। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে এ ঐক্য বজায় রাখা আমাদের কর্তব্য।’
স্বৈরাচার প্রতিরোধ আন্দোলনের তৎকালীন নেতাদের মধ্যে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল হক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, সাবেক ছাত্রনেতা কবি মোহন রায়হান, সিরাজুম মূনীর, বীণা শিকদার প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ