হলফনামার তথ্য স্বামীর চেয়ে স্ত্রীরা বেশি সম্পদশালী - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:৪৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

হলফনামার তথ্য স্বামীর চেয়ে স্ত্রীরা বেশি সম্পদশালী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ৩, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ৩, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতিতে স্বামী সক্রিয় থাকলেও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন স্ত্রীরা। আসন্ন নির্বাচনের হলফনামায় এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে। প্রভাবশালী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাদের স্ত্রীর নামে রয়েছে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও অঢেল নগদ টাকা। প্রার্থীদের তুলনায় তাদের স্ত্রীরা বেশি সম্পদশালী। স্ত্রীরা কীভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন, তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি অনেক প্রার্থীর হলফনামায়। সম্পদের এই বিশাল ফারাক নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মনে তৈরি হয়েছে নানা কৌতূহল।

মির্জা ফখরুলের চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ বেশি
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। হলফনামা অনুযায়ী, তার বার্ষিক আয় প্রায় ১২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার সম্পদের মূল্য ১ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৩ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক, নগদ, স্বর্ণালংকার, শেয়ারসহ অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পত্তি (কৃষি ও অকৃষিজমি, বাড়ি) ১৯ লাখ ৫ হাজার ৮১৪ টাকা। হলফনামায় স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে অস্থাবর সম্পদ ১ কোটি ২১ লাখ ৩২ হাজার টাকা ও স্থাবর সম্পদ ১ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তিনি ঢাকা ও ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন জমি, একটি ফ্ল্যাট ও একটি গাড়ির মালিক। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মির্জা ফখরুল আয়কর দিয়েছেন ৭২ হাজার ৮৮৯ টাকা; স্ত্রীর আয়কর হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৫৮৫ টাকা।

সাবেক এমপি রুমানা মাহমুদের সম্পদ স্বামীর চেয়ে ৫ গুণ বেশি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনে আলোচনার কেন্দ্রে এখন বিএনপি প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও তার স্ত্রী রুমানা মাহমুদের সম্পদের হিসাব। গত ২৯ ডিসেম্বর দাখিল করা হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী টুকুর চেয়ে তার স্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ সোয়া পাঁচ গুণ বেশি সম্পদের মালিক। হলফনামায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নিজেকে ঋণমুক্ত দাবি করলেও একটি কৌতূহল উদ্দীপক তথ্য উঠে এসেছে। তার স্ত্রী রুমানা মাহমুদ স্বামীর কাছ থেকেই ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। পেশায় গৃহিণী হওয়া সত্ত্বেও রুমানা মাহমুদের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৫ কোটি টাকা। যেখানে টুকুর সম্পদ ৫ কোটিরও নিচে। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মোট অস্থাবর সম্পদ ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬২৭ টাকা। বিপরীতে রুমানা মাহমুদের রয়েছে ২৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯২ হাজার ৭০৩ টাকা।

নিজের চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ বেশি ফজলুর রহমানের
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানের দাখিল করা হলফনামায় তার ব্যক্তিগত সম্পদের চেয়ে স্ত্রীর সম্পদের আধিক্য লক্ষ করা গেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে দুটি ফ্ল্যাটসহ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক এই দম্পতি। উত্তরার দুটি ফ্ল্যাট স্ত্রীর নামে। হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে প্রার্থীর চেয়ে তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম বেগমের সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য অনেক বেশি। রাজধানীর উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরে তার স্ত্রীর নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ২০ লাখ টাকা। এ ছাড়া স্ত্রীর নামে ১২ ও ৫৫ শতকের দুটি অকৃষিজমি রয়েছে। অন্যদিকে ফজলুর রহমানের নিজের নামে কিশোরগঞ্জের ইটনায় একটি নির্মাণাধীন দোতলা ভবন রয়েছে এবং পৈতৃক সূত্রে তিনি পাঁচ একর কৃষিজমির মালিক। হলফনামায় প্রার্থীর স্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর সম্পদের মূল্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। নগদ ও ব্যাংকে জমা অস্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রেও স্বামী-স্ত্রীর নামে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ। ফজলুর রহমানের কাছে নগদ ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৫২ টাকা থাকলেও তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে মাত্র ৭ হাজার ১২৮ টাকা।

সাত বছরে আরিফ ও তার স্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে কয়েক গুণ
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরীর দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সাত বছরে তার এবং তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। ২০১৮ সালে আরিফুল হক চৌধুরীর বার্ষিক আয় ছিল ৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ২৩৬ টাকায়। তার স্ত্রী সামা হক চৌধুরীর সাত বছর আগে তার কোনো আয়ের উৎস ছিল না। বর্তমানে ব্যবসা খাত থেকে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২৪ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৯ টাকা।

ডা. তাহেরের চেয়ে স্ত্রী ডা. হাবিবার ৫ গুণ বেশি সম্পদ
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের চেয়ে তার স্ত্রী ডা. হাবিবা চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ পাঁচ গুণ বেশি। পেশায় চিকিৎসক এই দম্পতির মধ্যে ডা. তাহেরের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দেখানো হলেও তার স্ত্রী ডা. হাবিবা চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ডা. তাহের নিজে ব্যক্তিগতভাবে ঋণমুক্ত থাকলেও তার স্ত্রী ডা. হাবিবা চৌধুরীর নামে ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে প্রায় ৩৭ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে।

জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ আড়াই গুণেরও বেশি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জোনায়েদ সাকির চেয়ে তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় আড়াই গুণ বেশি। হলফনামায় জোনায়েদ সাকি নিজেকে পেশায় ‘প্রকাশক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৬ লাখ ৬২ হাজার ৬০২ টাকা। জোনায়েদ সাকির নামে ১১ একর অকৃষিজমি এবং একটি আবাসন প্রকল্পে অগ্রিম জমা দেওয়ার তথ্য রয়েছে। অন্যদিকে তার স্ত্রীর নামে কৃষিজমি, একটি ফ্ল্যাট ও একটি দোকান রয়েছে। তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার পেশায় একজন শিক্ষক ও আলোকচিত্রী, যার সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৯৩ হাজার ৩০৪ টাকা।

নুরের চেয়ে স্ত্রীর কৃষিজমির পরিমাণ বেশি
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুরের দাখিল করা হলফনামায় তার ব্যক্তিগত সম্পদের চেয়ে স্ত্রীর নামে থাকা কৃষিজমির পরিমাণ কয়েক গুণ বেশি দেখা গেছে। নুরুল হক নুরের নিজের নামে রয়েছে ৮২ শতাংশ কৃষিজমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৬১ হাজার টাকা। বিপরীতে তার স্ত্রী মারিয়া আক্তারের নামে রয়েছে তিন একর কৃষিজমি, যার আর্থিক মূল্য দেখানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা। অর্থাৎ নুরের তুলনায় তার স্ত্রীর কৃষিজমির পরিমাণ প্রায় তিন গুণেরও বেশি।

শিশির মনিরের স্ত্রীর আয় বেশি
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি শিশির মনিরের বার্ষিক আয় প্রায় ৫২ লাখ টাকা (৫১ লাখ ৬৩ হাজার ৪০৭ টাকা)। তবে তার স্ত্রী সুমাইয়া সাদিয়া রায়হানের বার্ষিক আয় শিশির মনিরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ৫১৫ টাকা। শিশির মনিরের অস্থাবর সম্পদ ৫১ লাখ টাকার বেশি হলেও তার স্ত্রীর নামে রয়েছে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৬০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ।

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর স্ত্রীর সম্পদ ৩ গুণ বেশি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই প্রার্থীর ব্যক্তিগত সম্পদের চেয়ে তার স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদের পরিমাণ বেশি। এ ছাড়া প্রার্থীর নিজের নামে রয়েছে লাইসেন্স করা দামি আগ্নেয়াস্ত্র। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর কাছে বর্তমানে নগদ ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬০ টাকা রয়েছে। বিপরীতে তার স্ত্রী মাজেদা আহসান মুন্সীর কাছে রয়েছে ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৩ টাকা।

বকুলের হাতে নগদ ৩৩ হাজার টাকা, স্ত্রীর হাতে ২৪ লাখ
রকিবুল ইসলাম বকুল এই আসনের প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদ দেখিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তবে কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, বকুলের নিজের চেয়েও তার স্ত্রীর শামীমা পারভীনের সম্পদের পরিমাণ কয়েক গুণ বেশি। বকুলের ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা। আয়কর রিটার্নে তিনি নিজের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮০ হাজার ১৮৭ টাকা এবং মোট সম্পদ ৭০ লাখ ৯১ হাজার ৮৪১ টাকা উল্লেখ করেছেন। বিপরীতে তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৪২ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৫৩ টাকা। স্ত্রীর পেশা হলফনামায় উল্লেখ করেননি বকুল।

স্ত্রীর নগদ টাকা আজাদের চেয়ে ২৯ গুণ বেশি
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের নির্বাচনি লড়াইয়ে অংশ নেওয়া বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদের নিজের নামে নগদ ৪৯ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫০ টাকা রয়েছে। তবে তার স্ত্রী খন্দকার নাঈমা নুসরাতের হাতে রয়েছে নগদ ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ স্ত্রীর কাছে থাকা নগদ অর্থ আজাদের চেয়ে প্রায় ২৯ গুণ বেশি। ২০১৮ সালের তুলনায় আজাদের ব্যক্তিগত নগদ টাকা কমলেও তার স্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

এরশাদ উল্লাহর স্ত্রীর নগদ টাকা ও স্বর্ণ বেশি
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এরশাদ উল্লাহর চেয়ে তার স্ত্রীর নগদ অর্থ ও সম্পদের পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রেই বেশি। হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নগদ টাকা, ব্যাংকে জমা ও স্বর্ণালংকারের মালিকানায় প্রার্থীর চেয়ে তার স্ত্রী এগিয়ে রয়েছেন। এরশাদ উল্লাহর নিজের কাছে নগদ ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৯ হাজার ২৫৪ টাকা রয়েছে। বিপরীতে তার স্ত্রীর কাছে নগদ অর্থের পরিমাণ ৩ কোটি ২৬ লাখ ২০ হাজার ৩৪২ টাকা। অর্থাৎ প্রার্থীর চেয়ে তার স্ত্রীর কাছে প্রায় ১ কোটি টাকা বেশি রয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ