অবারিত হলো বেসরকারি খাতের বৈদেশিক মুদ্রা ঋণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, এপ্রিল ১০, ২০২৩ ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, এপ্রিল ১০, ২০২৩ ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ

অবারিত করা হলো বেসরকারি খাতের বৈদেশিক মুদ্রা ঋণ। বৈদেশিক মুদ্রায় দায় কমাতে আগে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেডের শিল্পকারখানার জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ নেয়ার অনুমোদন ছিল। আর এ অনুমোদন দেয়া হতো শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানির জন্য। এখন ইপিজেডের বাইরে দেশের অভ্যন্তরীণ অন্যান্য শিল্পের সব ধরনের পণ্যের জন্যই এ ঋণ নেয়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই ঋণ এনে তা অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ইউনিটের (ডিবিইউ) মাধ্যমে ব্যবহার করতে হবে। বেসরকারি খাতে বিদেশী ঋণ অবারিত করার বিষয়ে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, আপাতত সঙ্কট মেটানোর জন্য এ ঋণ আনা হলেও দীর্ঘ মেয়াদে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রায় দায় বেড়ে যাবে। অপর দিকে টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে মুদ্রার বিনিময়জনিত ক্ষতি হবে। পাশাপাশি সামনে ঋণ পরিশোধের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার মজুদের ওপর চাপ আরো বেড়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিল্প কারখানায় বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্কট মেটাতে সরবরাহ বাড়ানোর নানা উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এজন্য বিদ্যমান নীতিমালা শিথিল করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বিদেশ থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় নেয়া ঋণের অংশ স্থানীয় শিল্পেও ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রায় দায়দেনা কমাতে আগে এ ধরনের অনুমোদন দেয়া হতো না। নতুন উদ্যোগে বৈদেশিক মুদ্রায় শুধু দায়ই বাড়বে না, বরং সামনে ঋণ পরিশোধে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ আরো বেড়ে যাবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ