অবৈধদের ব্যাপারে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি: জয়সওয়াল - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৮:৪২, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

অবৈধদের ব্যাপারে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি: জয়সওয়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, মে ৮, ২০২৬ ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, মে ৮, ২০২৬ ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ভারতে অবস্থানরত প্রায় ৩ হাজার সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীর নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা চেয়েছে ভারত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানায়।

এর কয়েক দিন আগেই ঢাকা সতর্ক করেছিল, ভারত থেকে জোর করে কাউকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করা হলে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। মূলত সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ভারতের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হলো।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, ভারত থেকে পুশইন বা জোর করে কাউকে পাঠানোর ঘটনা ঘটলে ঢাকা কঠোর অবস্থান নেবে। তার এই মন্তব্যের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের মূল বিষয়ের প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

রণধীর জয়সওয়াল জানান, বর্তমানে ২ হাজার ৮৬২ জনের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের আবেদন বাংলাদেশের কাছে ঝুলে আছে। এর মধ্যে কিছু আবেদন পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে পড়ে আছে। ভারতের নীতি অনুযায়ী, সে দেশে অবস্থানরত সব অবৈধ বিদেশি নাগরিককে আইন ও দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার ভিত্তিতে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। তাই বিষয়টি সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে তিনি ঢাকাকে দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া শেষ করার অনুরোধ জানান।

সম্প্রতি ভারতের লোকসভা ও বিভিন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অবৈধ অভিবাসন ইস্যুটি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপি অভিযোগ করেছিল, তৃণমূল কংগ্রেস সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তা করছে। যদিও রাজ্য সরকার এই অভিযোগ বারবার অস্বীকার করে আসছে।

একই সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা নদী প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগ প্রসঙ্গেও কথা বলেন রণধীর জয়সওয়াল। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে চীন সফর করছেন এবং সেখানে তিনি তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে বেইজিংয়ের সহায়তা চেয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে জয়সওয়াল বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। পানিসংক্রান্ত সব বিষয় আলোচনার জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি কাঠামোগত দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা চালু আছে এবং তারা নিয়মিত বৈঠক করছে। তবে স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকার কাছে হওয়ায় তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা নিয়ে ভারতের পুরোনো উদ্বেগ ও আপত্তি রয়েছে। সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা তিস্তা নদী দুই দেশেরই কয়েক কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার প্রধান উৎস।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ