আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার ছেলের মনোনয়ন সংগ্রহ, এলাকায় আলোচনা - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৬:৫৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার ছেলের মনোনয়ন সংগ্রহ, এলাকায় আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫ ৪:২০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫ ৪:২০ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ফেনীর তিনটি আসনে বিএনপি ও জামায়াতসহ ছয়জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ফেনী-১ (পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া) আসনে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন। এ ছাড়া ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল), জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূইয়া। ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু, তার ছোট ছেলে তাজওয়ার এম আউয়াল ও এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল কাশেম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এর মধ্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার ছেলের একই আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন- মিন্টু নির্বাচন নাও করতে পারেন, সেক্ষেত্রে মিন্টুর ছেলে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ভোটে অংশ নিতে পারেন।

জানা গেছে, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রাচীন সংগঠন আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তাজওয়ার মোহাম্মদ আউয়াল। তিনি স্বনামধন্য ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছোট ছেলে এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাবেক সহ-সভাপতি ও বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়ালের ছোট ভাই।

মিন্টুর বাবা সফি উল্যাহ দুবার উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। তার ছোট ভাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন দুবার দাগনভূঞা পৌরসভার মেয়র ছিলেন। এ ছাড়া ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২০১৮ সালে ফেনী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেও ভোটে পরাজিত হন। এ ছাড়া মিন্টুর চাচা মো. ইয়াছিন ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। অন্যদিকে দাগনভূঞার বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মিন্টু পরিবারের অবদান স্মরণীয় হয়ে আছে। এসব কারণে তিনি প্রার্থী হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেছে। আর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নতুন করে হিসাব শুরু করছেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ