আ’লীগ আমলেও নুরের ওপর এমন হামলা হয়নি, এর দায় সরকারকে নিতে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, আগস্ট ৩১, ২০২৫ ৬:২২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, আগস্ট ৩১, ২০২৫ ৬:২২ অপরাহ্ণ

আ’লীগ আমলেও নুরের ওপর এমন হামলা হয়নি, এর দায় সরকারকে নিতে হবে
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর এমন বর্বর হামলা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ঘটেনি, যা এই সরকারের আমলে ঘটেছে। এর দায়-দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে দেখতে এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, যেহেতু রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের চেষ্টাটা ব্যর্থ হয়েছে, তাই জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে। জাতীয় পার্টি হচ্ছে একদম সুনির্দিষ্ট ও চিহ্নিত ফ্যাসিবাদী। আমরা দেখেছি, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের এই ফ্যাসিবাদী সংসদকে তারা বারবার বৈধতা দিয়েছে। কীভাবে ভারত থেকে প্রেসক্রিপশন এনে বাংলাদেশে তারা একটি কৃত্রিম সংসদ তৈরি করেছে, কৃত্রিম গণতন্ত্র দেখিয়েছে।
তিনি বলেন, এই চিহ্নিত ফ্যাসিবাদীদের কোনোভাবে, কোনো ধরনের সমর্থন কেউ যদি দেওয়ার চেষ্টা করে অথবা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সমর্থন করা হয়, তাহলে জনগণের পক্ষ থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তা রুখে দেবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।
তিনি আরও বলেন, এখানে ইনক্লুসিভ নির্বাচনের নামে অনেকেই চাইবে না যে, আগামীর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে ছাড়া, আওয়ামী লীগের এস্টাবলিশমেন্ট ছাড়া কোনো ধরনের রাজনৈতিক অথবা গণতান্ত্রিক সেটেলমেন্ট হয়ে যাক। ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সরকারি দল, বিরোধী দল হয়ে গেলে সেই সেটেলমেন্ট আসলে হয়ে যাবে। সেই জায়গা থেকে অনেকে নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করবে। তারা আওয়ামী লীগকে নানা ফরমেটে যদি না আনতে পারে, তাহলে তারা সেটি বানচালের চেষ্টা করবে বলে আমরা ধারণা করি। এ ধরনের সব প্রচেষ্টাকে গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক দলগুলো এবং সরকার রুখে দেওয়ার জন্য তৎপর আছে।
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেন, সরকার এ বিষয়ে কোনো অফিসিয়াল সিদ্ধান্তে এখনো আসেনি। সরকার অংশীজনদের সঙ্গে ইতোমধ্যে বৈঠক ডেকেছে। আজও প্রধান উপদেষ্টা কয়েকটি রাজনৈতিক দল এবং জুলাইয়ের কয়েকটি সংগঠনের সঙ্গে বসবেন। রাজনৈতিক দলগুলো এবং জনগণের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য আসবে, সে অনুযায়ী সরকার বিবেচনা করবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ