ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৩:০৯, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬ ১১:০১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬ ১১:০৬ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের বরাত দিয়ে জানানো হয়, একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ অন্যান্য উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও সম্মানী প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানিয়েছেন, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা। প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮ হাজার টাকা, যার মধ্যে পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। প্রতিটি বৌদ্ধবিহারের জন্য ৮ হাজার টাকা, অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা, এবং প্রতিটি চার্চের জন্য ৮ হাজার টাকা, পালক বা যাজক ৫ হাজার ও সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় ১ হাজার টাকা করে, এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে সরকারি বা অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুবিধার বাইরে থাকবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হলেও আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই সম্মানীর আওতায় আনা হবে। চলতি অর্থবছরে এর জন্য প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। পুরো দেশের সমস্ত উপাসনালয় অন্তর্ভুক্ত করলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

সরকার চার ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ লাগবে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ