ই-হেলথ কার্ড দেবে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:২৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ই-হেলথ কার্ড দেবে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬ ৩:৩১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬ ৩:৩১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত

দেশের সব নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার জনগণকে এই কার্ডের আওতায় এনে চিকিৎসাসেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্যের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতের পাশাপাশি সরকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনাতেও বড় উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যার আওতায় জুন ২০২৬ পর্যন্ত ১,২০৪ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আরও ১,৫০০ কিলোমিটার খাল সংস্কার করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ চারা উৎপাদন করা হয়েছে, যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা হবে।

শিক্ষাখাতেও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু করা হবে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রতিরক্ষা খাত নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কুয়াকাটায় বিমানবন্দর স্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হলে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আগ্রহী হলে সরকার প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও প্রতিরক্ষা- সব খাতে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই সরকারের বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা এগিয়ে চলছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ