ঈদ আসে, ঈদ যায়; কোনো আনন্দ ছুঁয়ে যায় না ওদের - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ঈদ আসে, ঈদ যায়; কোনো আনন্দ ছুঁয়ে যায় না ওদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, এপ্রিল ২১, ২০২৩ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, এপ্রিল ২১, ২০২৩ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ

 

ঈদ আসে, ঈদ যায়; কোনো আনন্দ ছুঁয়ে যায় না সিরাজগঞ্জের চৌহালীর নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলোর। ভিটেমাটি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকা পরিবারগুলোর কাছে, ঈদের নতুন জামা কিংবা ভালো খাবার স্বপ্নের মতো। সরকারি উদ্যোগে দুস্থ কিছু পরিবারকে চাল দেওয়া হলেও তা চাহিদার তুলনায় নগণ্য।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, যমুনাবেষ্টিত এই উপজেলার বাঘুটিয়া, খাষপুখুরিয়া, চরবিনানই, চরসলিমাবাদ, ভূতের মোড়সহ বেশকিছু ভাঙনকবলিত এলাকার চিত্র মোটামুটি একই। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে করালগ্রাসী যমুনা বছরের পর বছর ধরে গ্রাস করে যাচ্ছে এ অঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারের বেঁচে থাকার অবলম্বনটুকু। শুধু বর্ষা মৌসুমে নয়, এখনো অনেক জায়গায় ভাঙন চলছে, হুমকিতে আছে বিনানই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সম্ভূদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সম্ভূদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সম্ভুদিয়া আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, বাঘুটিয়া কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মঞ্জুর কাদের মহাবিদ্যালয়, পয়লা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, চৌবারিয়া বিএম কলেজ, পয়লা দাখিল মাদ্রাসাসহ এক ডজনেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মানুষের আর্তনাদ শুনেও স্থায়ী সমাধানে এগিয়ে আসছে না কেউ, অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

তবে সম্প্রতি খাসপুকুরিয়া থেকে চরসলিমাবাদ পর্যন্ত ভাঙন রোধে তীর রক্ষায় ৪৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পটি টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

চরসলিমাবাদ গ্রামের ভাঙনকবলিত এক নারী বলেন, ঈদে নতুন জামা কিংবা ভালো খাবার পাওয়া তো দূরের কথা, রোজায় সেহরি ও ইফতার করতে হয়েছে পান্তাভাত কিংবা

চিড়া-মুড়ি খেয়ে। যমুনার তাণ্ডবে ঘরবাড়ি হারিয়ে পরিবার নিয়ে দিনের পর দিন থাকতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে।

চৌবাড়িয়া গ্রামের আসান আলী, খাষপুখুরিয়া থেকে চরসলিমাবাদ পর্যন্ত ভাঙন রোধে তীর রক্ষায় অনুমোদিত প্রকল্পটির কাজ দ্রুত সময়ে করার জন্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বাঘুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম মোল্লা জানান, ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ ইউনিয়নে দুস্থ ১৫০০ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, খাষপুখুরিয়া থেকে চরসলিমাবাদ পর্যন্ত ভাঙন রোধে নদীর তীর রক্ষায় ৪৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শুরু হবে বলে আশাবাদী।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ