উত্তাল স্রোত দেখে নিশিরাতের সরকারের নেতা-মন্ত্রীদের বুকে কাঁপন ধরেছে - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:২৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

উত্তাল স্রোত দেখে নিশিরাতের সরকারের নেতা-মন্ত্রীদের বুকে কাঁপন ধরেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ১৭, ২০২২ ১:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ১৭, ২০২২ ১:৫৬ অপরাহ্ণ

 

সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে জনগণের বাঁধভাঙ্গা উত্তাল স্রোত দেখে বিদায়লগ্নে নিশিরাতের সরকারের নেতা-মন্ত্রীদের বুকে কাঁপন ধরেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘গত ১৪ বছর ধরে সীমাহীন নির্যাতন নিপীড়নের শিকার মানুষ সর্বশক্তি নিয়ে সারাদেশে জেগে উঠেছে। গুম খুন অপহরণ, হামলা মামলা জুলুম করে এতদিন মানুষকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছিল। জনগণ আর ঘরে বসে বসে মাফিয়া সরকারের হাতে অসহায়ের মতো জান-মাল হারা হতে চায় না। জনগণ এবার আটঘাট বেঁধে শেষ প্রস্তুতি নিয়েই সকল বাধার বিন্ধ্যাচল উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে এসেছে। তারা গগনবিদারী স্লোগান তুলেছে, ‘হঠাও মাফিয়া বাঁচাও দেশ – টেক ব্যাক বাংলাদেশ’। শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে, ভোটাধিকারের দাবিতে, মাদার অফ ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে জনগণের বাধভাঙ্গা উত্তাল স্রোত দেখে নিশিরাতের সরকারের নেতা-মন্ত্রীদের বুকে কাঁপন ধরেছে।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আমাদের মাত্র দুইটি গণসমাবেশ অবলোকন করেই বিনাভোটের সরকারের মন্ত্রীরা প্রলাপ বকতে শুরু করেছেন। চট্টগ্রামের স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসমুদ্র দেখে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, “চট্টগ্রামে জব্বারের বলী খেলায় যে পরিমাণ লোক সমাগম হয়, বিএনপির সমাবেশে তাও হয়নি। বিএনপি হাঁকডাক করে মহাসমাবেশ নাম দিয়ে একটি ফ্লপ সমাবেশ করেছে।’’

‘জব্বারের বলি খেলা দেখতে জড়ো হওয়া মানুষ আর শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে জড়ো হওয়া মানুষের মধ্যে যারা পার্থক্য বোঝেনা এ ধরণের নেতা-মন্ত্রীদেরকেই বলে ‘হবু চন্দ্র রাজার গবু চন্দ্র মন্ত্রী’। পৃথিবীতে সম্ভাবত হাসান মাহমুদ সাহেবই একমাত্র তথ্যমন্ত্রী যিনি সঠিক তথ্যকে টিনের বাক্সে তালা দিয়ে অসত্য তথ্য সম্প্রচার করেন। কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্ববাসী, পত্র পত্রিকা, গণমাধ্যম-সোস্যাল মিডিয়ায় দেখেছে জনসভাস্থল ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল সরকার পতনের দাবীতে ঘর ছেড়ে আসা মানুষের ঢল। কেবল দেখতে পাননি হাসান মাহমুদ। আমরা রাতকানা শুনেছি, কিন্তু এই প্রথম দিনকানা লোক দেখলাম। শত কোটি টাকা খরচ করে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাঁ খাঁ করে প্যান্ডেল ছাড়া সমাবেশস্থল। বিদায়লগ্নে তাদের যেকোন সমাবেশে লোক সমাগম এখন সুপার ফ্লপ হওয়াতে বিদ্বেষবশত: বিএনপি’র সমাবেশকে নিয়ে পাগলের প্রলাপ বকছে।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের হাসান মাহমুদের বিরোধিতা করে বলেছেন, বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে লোক সমাগম নিয়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা সঠিক তথ্য তুলে ধরছেন না। আমি প্রধানমন্ত্রীর নিকট টেলিফোনে বলেছি, লাখের কাছে লোক হয়েছে। সত্যকে আড়াল করে তো লাভ নেই, সত্য আড়াল করব কেন? বিএনপি ঢাকায় ১০ লক্ষ লোক সমাগম করলে আওয়ামী লীগ ৩০ লক্ষ লোক সমাগম করতে পারবে। “ওবায়দুল কাদের সাহেবদের জানা উচিত, জনগণ চিড়িয়াখানার প্রাণি নয়। বিএনপি মানুষ জড়ো করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত নয়। বিএনপির এই গণসমাবেশ মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের জন্য, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। স্বাভাবিক জীবনের গ্যারান্টির জন্য। যা আপনারা কেড়ে নিয়েছেন। আপনাদের দেড় যুগের দুঃসাসনে দেয়ালে পীঠ ঠেকে এখন রাজপথে নেমে এসেছে সারাদেশের মানুষ। রাস্তায় যানবাহন বন্ধ করে দিচ্ছেন, পথে পথে বাধা। হামলা গ্রেফতার মামলা করছেন। তারপরও গণসমাবেশমুখী কাফেলা দিন দিন বেড়েই চলেছে। চিড়ামুড়ি নিয়ে দিন-রাত হেঁটে কিংবা ভ্যানে-ট্রলারে করে এসে সমাবেশ মাঠে-ময়দানে, রাস্তায়, ফুটপাথে, গলিতে, ছোট্ট ঘরে গাদাগাদি করে একত্রে, এমনকি বাথরুমের পাশে কাটাচ্ছেন হাজারো দেশপ্রমিক জনতা। এই অভূতপূর্ব দৃশ্য, এদের অবদান-ত্যাগ বৃথা যাবে না। এই পরিস্থিতি উপলব্ধি করে আপনারা নির্দলীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। তা না হলে গণঅভ্যুত্থান আসন্ন। আপনারা যদি ব্যাপক লোক সমাগম করতে পারেন, তবে নিশিরাতে ভোট ডাকাতি কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ভোট করতে হয় কেন ? ভোটের দুই তিন মাস আগে থেকে বিএনপি’র লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন কেন, অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেন কেন, গুম ও ক্রসফায়ায়ের আশ্রয় নেন কেন ?

রিজভী বলেন, ‘রাস্ট্র পরিচালনায় সম্পূর্ন ব্যর্থ নিশিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে বলছেন, দুর্ভিক্ষ আসছে! আপনি যে রাষ্ট্রনায়ক নন, আপনি যে আওয়ামীনায়ক, আপনার এ কথায় আবারো প্রমাণ করলেন। যারা লুটপাটের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত তাদের দ্বারা অনাহার-অর্ধাহার আর দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিক। রাষ্ট্রের বারোটা বাজিয়ে এখন আপনি জনগণকে উপদেশ দিচ্ছেন ভেন্নার তেল দিয়ে কুপি ও হারিকেন জ্বালানোর প্রস্তুতি নিতে। সামনের দিনে বিদ্যুৎ-গ্যাস দিতে পারবেন না। টাকা দিয়েও খাবার মিলবে না। লুটপাট করে তার রাজভান্ডার শেষ। আমদানি করার মত ডলার নাই। দেশের সম্পদ লুটেপুটে খেয়ে দেশটাকে ধংস করে এখন বলছেন আদিম যুগে ফিরে যেতে। এতদিন উন্নয়ন উন্নয়ন বাজনা বাজিয়ে দেশের মানুষের কান ঝালা পালা করে এখন জনগণের হাতে হারিকেন আর ভিক্ষার ঝুলি তুলে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। তাদের উন্নয়ন ভেসে গেছে বঙ্গোপসাগরে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ১৪ বছর দেশ চালিয়ে দেশটাকে ভেন্না গাছে তুলে এখন তাদের বাচাল গল্পবাজ মন্ত্রীরা আর ইউরোপ আমেরিকা সিংগাপুরের গল্প শোনায় না। তবে দশ এবং জনগণের উন্নয়ন না হলেও প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ এবং তাদের স্বজন, পরিবার আত্মীয়দের উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে অর্থ সম্পদ বিদেশে পাচার হয়েছে। বিদেশে সেকেন্ড হোম করেছে-রাজপ্রাসাদ গড়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এখন স্বীকার করছেন, দেশ সংকটের দিকে যাচ্ছে। সামনের পরিস্থিতি খারাপ। রিজার্ভ সংকট, ডলার নাই, তাই তেল-গ্যাস আমদানি করা যাচ্ছে না! লুটপাট আর ব্যর্থতা চেপে রাখার জন্য সবকিছুতেই সরকার বিদেশের দোহাই দিচ্ছে। তারা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কথা বলে। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে ২০০৩ সালে ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যে ন্যাটো বাহিনীর যুদ্ধে আরো কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার সবকিছু স্বাভাবিক রেখেছিলেন। এখন যুদ্ধ চলছে সাত সাগর তেরো নদীর ওপারে আর তখন যুদ্ধ চলছিল এই এশিয়ায় আমাদের কাছেই। কই তখনতো বেগম জিয়া জনগণের ওপর প্রভাব পড়তে দেননি। শহীদ জিয়ার আমলেই খাদ্যশষ্যের প্রাচুর্য দেখা যায়। আজ নিশিরাতের সরকার দেশের সবকিছু দেউলিয়া করে জনগণকে নিয়ে তামাশা করছেন। পেঁপে দিয়ে বেগুনী, বিনা তেলে রান্নার মতো পুকুরপাড়ে ভেন্না চাষের ফর্মুলা শুনাচ্ছেন।

রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দুর্ভিক্ষ হবেই। ৭৪ সালেও দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। তখন কোথাও যুদ্ধ ছিলো না। দেশের জনগণ জানে-মানে-বিশ্বাস করে বাংলাদেশের ইতিহাসে দুর্নীতি-দুর্ভিক্ষ আর আওয়ামী লীগ সমার্থক। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলতে চাই-কেন দুর্ভিক্ষ আসবে ? দুর্ভিক্ষ আসার কারণ আপনার দল জনস্বার্থবিরোধী। আপনি একটি এতিম প্রজন্ম তৈরী করতে চান। আর তাই বেপরোয়া লুটপাট করে, গণতন্ত্রকে গায়েব করে, ভোট-নির্বাচনকে ক্ষতবিক্ষত করে আজীবন ক্ষমতায় থাকার সুখস্বপ্নে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘গত পরশু ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাবেশে আসার পথে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ময়মনসিংহ আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলার ঘটনা সংঘটিত করলেও পুলিশ উল্টো বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় যাওয়ার জন্য ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত হলে সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতে যুবলীগ-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ব্যাপক হামলা চালায়। এই হামলায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হয়। কিন্তু পুলিশ দুস্কৃতিকারীদের প্রতিহত না করে বরং রাত্রে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। অথচ মামলায় যাদেরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের অনেকেই তখন জনসভাস্থলে অবস্থান করছিলেন। এটাই আওয়ামী সরকারের চিরচেনা সংস্কৃতি। নিজেরা সহিংসতা করে উল্টো নিরস্ত্র বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর দায় চাপায়। একেকটি পুলিশ স্টেশন যেন আওয়ামী নাৎসীবাদের টর্চারিং সেন্টার। ময়মনসিংহ জেলাধীন সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী যথাক্রমে মিনহাজুল আবেদিন রাসু, মোঃ হৃদয়, হাবিবুল্লাহ ডালিম, ইকবাল বাহার, বাদশা, লায়ন, কামাল, সেলিম, নজরুল, নয়ন, সানজিদ, রানা মন্ডল, শাহরিয়ার আলম সুমন, আবু নাঈম, জিল্লুর রহমান, ওমর ফারুক রবিন, আতিক, শামস মোঃ ইমরান, মোঃ মিঠুন মিয়া, সুমন ফরাজী, পারভেজ মিয়া, নয়ন, শিমুল মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৪০০ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক মামলা দায়েরের ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে তাদের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর আহবান জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিক-কে তিনদিন ধরে গুম করে রাখার পর গতকাল সকালে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করেছে। প্রকাশ্যে দিনের বেলায় তাকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়া হলেও তা তারা স্বীকার করেনি। আবার গতকাল তাকে পুলিশই হাজির করে। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বিষাক্ত ফণা তুলে এখন নানাভাবে দংশন করছে। পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে আদালতে হাজির করতে হয়। অথচ পুলিশকে তৈরী করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের হাতিয়ার হিসেবে। পুলিশ কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর অস্বীকার করাটা রক্ষীবাহিনীর দুঃসহ স্মৃতিকেই মনে করিয়ে দেয়। আশিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স। তার মতো একজন সুশিক্ষিত মেধাবী ছেলেকে যেভাবে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, সেটি নজীরবিহীন। এর ওপর তাকে দুইদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে, শুধুমাত্র নির্যাতন করার জন্য। এহেন বর্বরতা অমানবিক ও হৃদয়বিদারক। আমি এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে তার রিমান্ড বাতিল করে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম,আবুল খায়ের ভূঁইয়া, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফৎ আলী সপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ