উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে ‘সিত্রাং’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:৪৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে ‘সিত্রাং’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৭:৫৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৭:৫৯ অপরাহ্ণ

 

বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগ পটুয়াখালীর কলাপাড়া-খেপুপাড়া উপকূলে আছড়ে পড়তে শুরু করে। রাত ৮টা নাগাদ ঝড়টির কেন্দ্র উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করতে পারে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে প্রচণ্ড ঝড়ো-হাওয়া বইছে, হচ্ছে প্রচুর বৃষ্টি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, সিত্রাং বড় আকারের ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব অনেক বেশি হতে পারে। এ জন্য তারা তিনটি কারণের কথা বলছে। কারণ তিনটি হলো ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ, অমাবস্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য।

উপকূল পার হওয়ার সময় চট্টগ্রাম, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, নোয়াখালী, ফেনীর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে স্বাভাবিক জোয়ার থেকে ৫ থেকে ৮ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঘূর্ণিঝড়ের সময় অমাবস্যা থাকায় জোয়ারের উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত উঁচুতে উঠতে পারে। ফলে দেশের উপকূলের বেশিরভাগ এলাকা ওই জোয়ারে প্লাবিত হবার আশঙ্কা আছে। ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ থেকে ১১০ কিলোমিটার হতে পারে। ঝড়ে বাতাসের গতির চেয়ে জলোচ্ছ্বাসের কারণে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতে পারে।

এর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এগিয়ে আসছে উপকূলের দিকেই। এর অগ্রভাগ আঘাত করবে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট থেকে শুরু করে ফেনী ও নেয়াখালী পর্যন্ত। আর কেন্দ্র পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও ভোলা জেলায় আঘাত করতে পারে।

তিনি আরও জানান, সিত্রাংয়ের অগ্রভাগ সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে উপকূলের দিকে আঘাত হানবে। এর কেন্দ্র বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনে অতিক্রম করবে মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে। এরপর এটি দুর্বল হয়ে ক্রমেই স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, লঘুচাপ শুরুর পর থেকেই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেরি করা হয়নি। দুর্যোগ মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লোকজনকে বাড়িঘর থেকে আনা হয়েছে ও প্রায় ৭৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। প্রয়োজনীয় খাবার, নগদ টাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছে বলেও জানান, দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে রোববার (২৩ অক্টোবর) রাত থেকে সারা দেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। তবে সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঝড়ো-হাওয়া। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবেই এই বৃষ্টি। বৃষ্টি মঙ্গলবারও (২৫ অক্টোবর) হতে পারে। বুধবার (২৬ অক্টোবর) বৃষ্টি কিছুটা কমে আসবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ