এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীরা নব্য রাজাকার : এবি পার্টি - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:১৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীরা নব্য রাজাকার : এবি পার্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৩, ২০২৪ ৭:৩৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৩, ২০২৪ ৭:৩৫ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
৭ জানুয়ারির নির্বাচনকে আওয়ামী লীগ, পুলিশ, ইসি ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ নির্বাচন বলে অভিহিত করেছে এবি পার্টি। এই প্রহসনমূলক নির্বাচন কোনোভাবেই জনগণের নির্বাচন নয় বলে দাবি করেছেন তারা।

আজ বুধবার বিকেলে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে জনমত তৈরির লক্ষ্যে ‘পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তারা।

এ সময় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির আহ্বায়ক সাবেক সচিব এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক বি এম নাজমুল হক, সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ও প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল।

সমাবেশে এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, পঞ্চাশ হাজার ভুয়া মামলা দিয়ে ২০ হাজার বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জেলে পুরে শেখ হাসিনা তার পদলেহনকারী নির্বাচন কমিশন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে একতরফা নির্বাচন করছে। এই ডামি প্রার্থী, কিছু দালাল কিংস পার্টি সাথে নিয়ে প্রহসনের নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। সকল ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে দেশের মানুষ তার অধিকার আদায় করে নিবে।

বি এম নাজমুল হক বলেন, আগামী ৭ তারিখের একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের জন্য সকল পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। শুধু খোলা থাকবে তাদের পতনের পথ। আমরা তাদের পতনের পথ দেখেই ঘরে ফিরব।

দলের সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, একটা প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করতে গিয়ে সরকার পুরো লেজে-গোবরে অবস্থায় পড়ে গেছে। সরকারি দল নিজেদের মধ্যে নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করতে গিয়ে কৃত্রিম দ্বন্দ্ব সংঘাত বাধিয়ে এখন আর কূল-কিনারা খুঁজে পাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ, পুলিশ, ইসি ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ কামড়াকামড়ির এই নির্বাচনে মানুষ খুব মজা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, এই নির্বাচন কোনওভাবেই জনগণের নির্বাচন নয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি জনগণের দুর্ভোগ-দুর্দশার প্রতি উপহাস করে কাঁঠালের বার্গার এবং কুমড়ার বেগুনি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেলেন কিন্তু জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। এমনকি কোনও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকেও কাঁঠালের বার্গার এবং কুমড়ার বেগুনি বানিয়ে খেতে দেখা যায়নি। কাঁঠালের বার্গার ও কুমড়ার বেগুনির মতো ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচনও জনগণ প্রত্যাখান করবে।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ৭ জানুয়ারি কোনও নির্বাচন হচ্ছে না, যেভাবে ৭ জানুয়ারি আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুদের গুলিতে নিহত ফেলানীর লাশ কাঁটাতারে ঝুলেছিল ঠিক তেমনিভাবে আগামী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বও কাটা তারে ঝুলানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সেদিনই নির্ধারিত হবে কে দেশের বন্ধু কে শত্রু। এই প্রহসনের নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারীরা জাতির কাছে নব্য রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

তিনি পুলিশ বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারী, দয়া করে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না। এই নাটকের ভোটের অভিনেতা হয়ে জাতির নিকট চিহ্নিত শত্রু হবেন না।

পদযাত্রায় আরো অংশ নেন যুবপার্টির আহ্বায়ক এ বি এম খালিদ হাসান, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব আব্দুল বাসেত মারজান, সহকারী সদস্যসচিব শাহ আব্দুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী নাসির, যুগ্ম সদস্যসচিব সফিউল বাসার, আহমেদ বারকাজ নাসির, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব ফিরোজ কবির, সহকারী অর্থ সম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানা, ছাত্রপক্ষের আহ্বায়ক মোহাম্মদ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সেলিম খান, আব্দুর রব জামিল, মশিউর রহমান মিলু, রিপন মাহমুদ, আমানুল্লাহ খান রাসেল, যুবপার্টি মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব শাহিনুর আক্তার শীলা, দক্ষিণের নেত্রী ফেরদৌসী আক্তার অপি, পল্টন থানা আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সি, ছাত্রনেতা হাসিবুর রহমান খানসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ