এটা রুটি ভাগাভাগির নির্বাচন, বাংলাদেশে আয় থেকে আয়কর বেশি - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:০৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

এটা রুটি ভাগাভাগির নির্বাচন, বাংলাদেশে আয় থেকে আয়কর বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২৩ ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২৩ ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘রুটি ভাগাভাগির নির্বাচন’ বলে অভিহিত করেছেন বিএনপির ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী। রবিবার (২৪ ডিসেম্বের) ঢাকার বিয়াম অডিটোরিয়ামে দর্শকদের উপস্থিতিতে চ্যানেল আই’তে দৈনিক প্রচারিত টক শো ‘তৃতীয় মাত্রা’য় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ঢাকার ৫টি আসনের ৫টিতেই দস্যু-দানবরা রাজত্ব করছেন বলে নিপুন রায় চৌধুরী অভিযোগ করেন। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনকে উল্লেখ করে তিনি বলেন এই দেশের মানুষের ভোটের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। যে দেশে দিনের ভোট রাতে হয়ে যায়, বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় প্রার্থী বিজয়ী হয়ে যায় এবং বিরোধী দলের সব থেকে ক্ষুদ্র কর্মীদেরকেও জেলে পাঠানো হয়, সে দেশের নির্বাচন স্বাধীন হবে বলে তিনি মনে করেন না। তিনি আরও বলেন, “৭ তারিখের নির্বাচনের ফলাফল হয়ে গেছে, সেদিন শুধু ঘোষণা হবে।”

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও ঢাকা ১৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবিনা আক্তার তুহিন নিজ এলাকার রাস্তা ও ব্রিজ সমস্যার কথা উল্লেখ করেন যেগুলো তিনি নির্বাচিত হলে সংস্কার করার দাবি করবেন বলে জানান। তার মতে, এই নির্বাচন বিরোধীদলের মানুষেরও প্রার্থনা কিন্তু জনপ্রতিনিধির অভাবে তারা নির্বাচনে আসতে পারছে না। এছাড়াও তিনি বলেন, কোন দলই যেনো কোনভাবে নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট না করে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিপুল সাজার ব্যাপারে তিনি বলেন, “রাজনীতিতে জেল খাটতেই হবে, আমরাও খেটেছি। আমরা অনেক বড় নেতা হারিয়েছি কিন্তু এগুলা সহ্য করেই রাজপথে থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলার ব্যবসায়িক অবস্থা, আঞ্চলিক অর্থনীতি, বেসরকারি খাত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, নারী অধিকার, তরুণদের উন্নয়ন ও রাজনীতিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, পাকিস্তান আমল থেকে তার সংসদীয় আসনে পানি জমে থাকে এবং ৫৩ বছরেও তার সমাধান হয়নি।

তিনি জলাবদ্ধতা বাদেও তার এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের ক্ষেত্রে বিপুল চাঁদাবাজির কথা উল্লেখ করেন। রাজনীতির ৩৪ বছরে তার উপলব্ধি- দেশে শুধু দুইটি দল আছে এবং দেশের মানুষকে বুঝতে হবে এই দুইটি দল দেশ ভাঙার রাজনীতি করে। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “দেশের মানুষ সচেতন হলে এই দুই দলকেই প্রত্যাখান করবে, এবং জনগণ এই নির্বাচন গ্রহণ করবে না।”
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দর্শকরা সরাসরি আলোচকদের আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং আলোচকরা তার উত্তর দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তৃতীয় মাত্রা’র পরিচালক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ