ওমানে ৪ ভাইয়ের মৃত্যু বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই শোকে পরিণত - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:৪৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ওমানে ৪ ভাইয়ের মৃত্যু বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই শোকে পরিণত

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬ ২:৫৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬ ২:৫৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি :সংগৃহীত আর কয়েকদিন পরেই ওমান থেকে দেশে ফেরার কথা ছিল তাদের। সেজন্য এক ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন চার ভাই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন চিরতরে বিলীন হয়ে গেল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার একই পরিবারের চার সহোদরের।

গাড়ির এসি বিস্ফোরণ কিংবা গ্যাস লিকেজজনিত বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে ওমানে এই ঘটনা ঘটলেও গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে গাড়ি থেকে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বান্দারাজার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তারা হলেন-রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। তারা সবাই ওমান প্রবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার ভাইয়ের মধ্যে দুই ভাইয়ের দেশে ফেরার কথা ছিল ১৫ মে। তাদের এক ভাইয়ের বিয়েও ঠিক হয়েছিল। বিয়ের কেনাকাটা করতে গিয়ে একসঙ্গে প্রাণ হারান চার ভাই।

বৃহস্পতিবার তাদের আরেক ভাই এনামুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তাদের প্রতিবেশী মো. ইয়াকুব জানান, ওমানে অবস্থানরত একই এলাকার বাসিন্দা বাবুর মাধ্যমে তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। বাবুর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, বিয়ের কেনাকাটার উদ্দেশ্যে চার ভাই এক সঙ্গে বের হওয়ার পর ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতরে তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি মঙ্গলবার রাতের দিকে ঘটলেও বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে গাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, গাড়ির ভেতরে এসি চালিয়ে ঘুমানোর সময় গ্যাস লিকেজজনিত বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ইয়াকুব বলেন, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বাবু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বর্তমানে মরদেহগুলো রুস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে। পরে সেগুলো মাস্কাটে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে চার সহোদরের এমন মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ