কুড়িগ্রামে বাড়ছে পানি, ৭ হাজার পরিবার পানিবন্দী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, জুন ২২, ২০২৩ ২:৪৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, জুন ২২, ২০২৩ ২:৪৭ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও কুড়িগ্রামের সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর, পাঁচগাছী, মোগলবাসা, ঘোগাদহ ও ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চরসহ নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৭ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে জেলার উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলেও ১ হাজার ৫টি পরিবার পানি বন্দী রয়েছে। ওই ইউনিয়নের মুসার চর, পুর্ববালাডোবার চর, ফকিরের চর, পোড়ার চরসহ কয়েকটি চরের ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব চরে বসবাসকারীরা। অনেকেই ঘর-বাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় অবস্থান করেছেন। আবার বেশ কিছু পরিবারের দিন কাটছে নৌকায়। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশদ্ধ খাবার পানি ও শুকনো খাবারের প্রয়োজনীতা দেখা দিয়েছে।
পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আরও নতুন নতুন চর প্লাবিত হওয়ার কথা জানিয়ে পানিবন্দী পরিবারগুলোর শুকনো খাবারের প্রয়োজনের কথা জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার বলেন, আমার ইউনিয়নের চারটি ওর্য়াডের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আনুমানিক ৩ হাজার পরিবার হবে। বর্তমানে তাদের সমস্যা হচ্ছে যোগাযোগ। এছাড়া তাদের গৃহপালিত গবাদিপশুর নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তারা।
যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, আমার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে প্রায় ৩ হাজার মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। তাদের বাড়ির চারিদিকে পানি ঠিকমত বের হতে পারছে না। বর্তমানে তাদের সমস্যা হচ্ছে চলাচল ও গবাদিপশু নিয়ে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানায়, আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত প্রধান নদ-নদীগুলোর পনি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদী বন্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।
জনতার আওয়াজ/আ আ