‘কুলাঙ্গাররা’ বিএনপিতে থাকুক, আমি চাই না : ব্যারিস্টার কায়সারকে খোকন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৪ ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৪ ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ

‘কুলাঙ্গাররা’ বিএনপিতে থাকুক, আমি চাই না : ব্যারিস্টার কায়সারকে খোকন
কালবেলা প্রতিবেদক
আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৫ পিএম|অনলাইন সংস্করণ
অ- অ+
981
Shares
facebook sharing button messenger sharing button whatsapp sharing button copy sharing button
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব কায়সার কামাল। ছবি : সংগৃহীত X
নিউজ ডেস্ক
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব কায়সার কামাল। ছবি : সংগৃহীত
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, ১৮ বছর বয়স থেকে বিএনপি করছি, করব। পদ-পদবি কোনো বিষয় নয়। তবে কুলাঙ্গাররা শহিদ জিয়ার বিএনপিতে থাকুক, এটা আমি চাই না।
সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে অর্বাচীন বালক হিসেবে উল্লেখ করে খোকন বলেন, তিনি একজন আত্মস্বীকৃত অপরাধী। নৈতিক স্খলনের কারণে আইনজীবী ফোরাম থেকে তার সদস্যপদ থাকা উচিত নয়। সরকারের এই এজেন্টকে দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত।
নির্বাচনে জয়ী হয়ে বার সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ায় ব্যারিস্টার খোকনকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র সহসভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই ফোরামের মহাসচিব পদে রয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আইনজীবী ফোরাম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
মাহবুব উদ্দিন খোকন তার বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব কায়সার কামালকে উদ্দেশ করে বলেন, ফোরামের তো গঠনতন্ত্রই নেই। সে কীভাবে বহিষ্কার করে? তার তো ক্ষমতাই নেই? যতক্ষণ পর্যন্ত গঠনতন্ত্র না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত কাউকে বহিষ্কার করা যাবে না। এটা আইনত কার্যকর নয়। আমি বিএনপি করছি, করব।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা বার নির্বাচনে অংশ নিই। সেই নির্বাচনে আমরা ১৪টি পদের মধ্যে ১২টিতে জয়ী হতাম। কিন্তু কায়সার কামাল তিনবার সরকারের প্যানেলের পক্ষে কাজ করায় আমরা সভাপতিসহ চারটি পদে জয়ী হয়েছি। নির্বাচনের পর ভোট গণনা থেকে আমাদের এজেন্টদের কেন সরিয়ে নেওয়া হলো। এজেন্টদের সরিয়ে নেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগকে ওয়াকওভার দেওয়া। অর্থাৎ বার নির্বাচনে সরকারকে জেতানোর জন্য ষড়যন্ত্র করেছেন কায়সার কামাল। এ ষড়যন্ত্রের মূলে ছিল ভোট গণনার সময় এজেন্টদের সরিয়ে নেওয়া। যদি এজেন্টদের সরিয়ে নেওয়া না হতো তাহলে আমরা ১২ পদে জয়ী হতাম।
প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে সভাপতিসহ চারটি পদে বিজয়ী হয়েছিল বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল। অপরদিকে সম্পাদকসহ ১০টি পদে বিজয়ী হয়েছে সরকার সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ। গত ৬ ও ৭ মার্চ নির্বাচন শেষে ৯ মার্চ রাতে ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র অ্যাডভোকেট বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের। এরপর বিএনপি সমর্থিত বিজয়ী সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ চারজনকে দায়িত্ব গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে গত ২৭ মার্চ চিঠি দিয়েছিল জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। তবে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের চিঠি পাওয়ার পরও অপর তিনজন দায়িত্ব গ্রহণ থেকে বিরত থাকলেও গত ৪ এপ্রিল দায়িত্ব নেন মাহবুব উদ্দিন খোকন। এটাকে চরম দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি উল্লেখ করে শনিবার তাকে ফোরাম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
জনতার আওয়াজ/আ আ