কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে আন্দোলনে জবি
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, জুলাই ১, ২০২৪ ২:৫৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, জুলাই ১, ২০২৪ ২:৫৫ অপরাহ্ণ

জবি প্রতিনিধি
২০১৮ সালে সরকার ঘোষিত পরিপত্রের পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিতে আবারও আন্দোলনে নেমেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। জানিয়েছেন তারা।
সোমবার (১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যানারে প্রতিবাদ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে থেকে বের হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকের সামনে এসে কিছুক্ষণ অবস্থান করে। এরপর বাহাদুর শাহ পার্ক হয়ে প্রতিবাদ মিছিলটি রায়সাহেব বাজার মোড়, তাতীবাজার মোড় প্রদক্ষিণ করে এসে পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা শহিদ রফিক ভবনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা।
এসময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ঠাঁই নাই’, ‘মেধাবীদের কান্না আর না আর না’, ‘কোটাবৈষম্য নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক’, ‘কোটা প্রথায় নিয়োগ পেলে, দুর্নীতি বাড়ে প্রশাসনে’, ‘মেধাবীদের যাচাই করো, কোটাপদ্ধতি বাতিল করো’,’আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠো আরেকবার’,‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ মেধাবীরা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়িনাই, বাতিল বাতিল বাতিল চাই, কোটা প্রথা বাতিল চাই ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। প্রতিবাদ সমাবেশে বাংলা বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন মুন্না আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন।
সাজ্জাদ হোসেন মুন্না বলেন, আমরা কোটা পুনর্বহালের এই সিদ্ধান্তকে বর্জন করেছি। সেইসঙ্গে আমরা চার দফা দাবি জানাচ্ছি। আমাদের দাবিগুলো হলো- ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখতে হবে; ১৮ এর পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দিতে হবে এবং কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে; সরকারি চাকরি নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে; এবং দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ