খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা যায়নি: ডা. জাহিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৫ ৩:০৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৫ ৩:০৮ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে লন্ডনের দ্য লন্ডন ক্লিনিক হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এ কথা বলেন।
গতকাল তিনি বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) নতুন করে আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সেসব রিপোর্ট পাওয়া গেলে খালেদা জিয়ার ছুটি হতে পারে। তখন তিনি বাসায় ফিরবেন। তিনি পরবর্তী সময়ে বাসা থেকে নিয়মিত চিকিৎসা নেবেন। তা ছাড়া এখনো বেগম জিয়ার লিভার ট্রান্সপ্লান্টের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছা যায়নি।
ডাক্তার জাহিদ বলেন, শুক্রবার উনার (খালেদা জিয়া) ছুটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি ডাক্তাররা তাকে ছুটি দেন। আজকেও একজন চিকিৎসক উনার পরীক্ষা করার জন্য লিখেছেন। সে পরীক্ষাগুলো আমরা করাব। রিপোর্টে যদি সব ঠিক থাকে তাহলে সন্ধ্যার দিকে উনার ছুটি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তিনি সার্বক্ষণিকভাবে প্রফেসর পেট্রিক কেনেডি ও জেনিপার ক্রসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন থাকবেন।
ডা. জাহিদ আরও বলেন, ‘গত ১৭ দিনে বেশকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়েছে। দুই একটি রিপোর্ট এখনো আসেনি। কয়েকটি পরীক্ষা এখানেও হয় না। সেগুলো বাইরে থেকে করাতে হয়। খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে আগের চেয়ে অনেকটা বেটার আছেন।’
খালেদা জিয়ার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, উনার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। কারণ উনার বয়সটা একটা বিবেচ্য বিষয়। তাছাড়া জেলে রেখে উনাকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তখন উনাকে বিদেশে নিয়ে আসা গেলে আরও হয়তো দ্রুত সুস্থ করা যেত। এখন আমাদের চিকিৎসকদের বক্তব্য হচ্ছে আগে হলে হয়তো উনার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা যেত।
ডা. জাহিদ আরও বলেন, ওষুধের মাধ্যমে উনার যে চিকিৎসা চলছে তা অব্যাহত রাখার জন্য সব চিকিৎসক একমত এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা চলবে।
এ সময় যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এমএ মালেক, সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ