খালেদা জিয়া আমাদের যে গণতন্ত্র দিয়ে গেছেন সেটি ধরে রাখতে হবে: আমীর খসরু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:৫৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

খালেদা জিয়া আমাদের যে গণতন্ত্র দিয়ে গেছেন সেটি ধরে রাখতে হবে: আমীর খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৮:১৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৮:১৫ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আমাদের যে গণতন্ত্র দিয়ে গেছেন সেটি ধরে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘দেশের পুরুষ ও মহিলা সবাইকে গণতন্ত্র ধরে রাখতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছেন। আগামীতে তারেক রহমান সাহেব আরও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। বেগম খালেদা জিয়া আমাদের যে গণতন্ত্রের শিক্ষা দিয়ে গেছেন আমাদের সেটি ধরে রাখতে হবে। তিনি নিজের জীবনের বিনিময়ে এ উপহার দিয়ে গেছেন। এটাকে ধারণ করতে হবে।’

শনিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিথ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আবহানী মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আগামীতে ফ্যামিলিকার্ড চালু হবে উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, ‘পরিবারের কর্তীর কাছে সরকারি টাকা যাবে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে। যা তারেক রহমান আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখায় উল্লেখ করেছেন। এ টাকা কোনো পরিবারের বাবা পাবে না, ছেলে পাবে না, মেয়ে যাবে না, পাবে শুধু মা। মায়ের মোবাইল নম্বরে পৌঁছে যাবে টাকা। এ টাকা দেওয়া হবে কেবল মায়েদের পরিশ্রমের জন্য। মায়েররা যে কাজ ঘরে করে তার জন্য কোনো অর্থ পায় না। এখন তাদের সরকার টাকা দিবে। এ ব্যবস্থা করছে বিএনপি। প্রতি মাসে দুই হাজার পাঁচশত টাকা পাবে।’

চিকিৎসা সেবার কথা উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, ‘দেশের সব মানুষ ফ্রি চিকিৎসা পাবেন আগামীর বাংলাদেশে। চিকিৎসার সব খরচ সরকার বহন করবে। সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিতে পাবরেন। কিন্তু খরচ সরকার দিবে। সেই ব্যবস্থা থাকছে আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখায়।’

শিক্ষার কথা উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষায় ডিগ্রি নিয়ে বিদেশে গিয়ে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবেন আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা। আর কেউ পিছিয়ে থাকবে না। সবাই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। প্রত্যেক স্কুলে চালু হবে কারিগরি শিক্ষা। আমাদের দেশের জন্য কর্মঠ জনশক্তি দরকার। তখন প্রত্যেক পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হবে। রাজনীতিতে গণতন্ত্র না অর্থনীতিতে গণতন্ত্র এগিয়ে নিতে হবে। আগামীর অর্থনীতিতে দেশের প্রত্যেক নাগরিক সুফল পাবেন। যা শুরু করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। যা আরও প্রসার ঘটাচ্ছেন তারেক রহমান। দেশের ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে। সমস্ত বাংলাদেশের মানুষ সুফল পাবেন।’

আমীর খসরু বলেন, ‘আধিপত্যবাদীদের কোনো জায়গা বাংলাদেশে হোক সেটি খালেদা জিয়া মেনে নেননি। উনি গণতন্ত্রের জন্য কোনো সমঝোতা করেননি, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থের জন্য কোনো সমঝোতা করেননি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ওনার জন্য ওনার ধারায় তারেক রহমান বাংলাদেশের সবার গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিণত হয়েছেন। ওনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে কোটি মানুষের সমাগম হয়েছে। তারেক রহমান আগামীর বাংলাদেশের যে রূপরেখা দিয়েছেন সেটিতে প্রত্যেক মানুষ সুফল পাবেন। খামার, কুটির শিল্প, কুমার, কামার থেকে শুরু করে সবাই সুফল পাবেন। আমরা বাংলাদেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করব। সবার আগে বাংলাদেশ এটা আমাদের আগামী দিনের মোটো পুরুষ মহিলা সবাই এগিয়ে যেতে হবে। মহিলাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। পরিবারের সবার ইনকাম করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রথম বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছেন তারেক রহমান। প্রবাই প্রস্তুত হন, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা একা পারব না, আপনাদের সবাইকে নিয়ে এক সঙ্গে এগিয়ে নিব বাংলাদেশকে।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ